
প্রধান খবরমুক্তিযুদ্ধ
কৈফিয়ত পত্র
বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে বড় অর্জন মুক্তিযুদ্ধে বিজয়। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা চলছে, চলছে লেখালেখি। রচিত হচ্ছে সাহিত্য। নির্মিত হচ্ছে মঞ্চনাটক, নাটক, চলচ্চিত্র। চলেছে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার এক যজ্ঞ। কিন্তু মাত্র নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সে লড়াইয়ের অসংখ্য গল্প এখনও তবু আমাদের অজানা। এখনও সেসব খুঁড়ে খুঁড়ে খুঁজে বের করা হচ্ছে।
আমাদের আকাঙ্ক্ষা ছিল প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার সে যজ্ঞে রূপসী বাংলাও যেন যৎসামান্য ভূমিকা রাখতে পারে। তেমন উদ্দেশ্য নিয়েই গেল ডিসেম্বরে আমরা রূপসী বাংলায় ‘মুক্তিযুদ্ধ’ কলাম চালু করেছিলাম। কলাম শুরু হলো ১৯৭১-এর রোজকার দিনলিপি দিয়ে।
আমাদের ইচ্ছে ছিল রোজকার দিনলিপির সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ কলামে যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন তাদের অভিজ্ঞতা, যারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা করছেন, লিখছেন- তাঁদের কাছ থেকে সেগুলো সংগ্রহ করে রূপসী বাংলার পাঠকদের জন্যে পরিবেশন করা। সাধ্যমত আমরা সচেষ্ট থেকেছিও। থাকবেও সে প্রচেষ্টাটি।
মুক্তিযুদ্ধের রোজকার ঘটনাবলীগুলো দিনলিপি আকারে নিরলসভাবে টানা চার মাস পরিবেশন করবার পের সেটি আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কেননা যে কোনও কিছু চলাচল করাতেই জ্বালানির দরকার পড়ে। দরকার পড়ে সহযোগিতার। সে সহযোগিতার অভাব আমাদের শুরু থেকেই ছিল। তবুও একটানা চার মাস আমরা চালিয়ে গেছি। এখন আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে স্থগিত করা হলো।
বিষয়টি পুরোপুরি রূপসী বাংলা সম্পাদকের অধীন। তিনি যদি চান তবে ভবিষ্যতে নতুন আঙ্গিকে নতুনভাবে ১৯৭১-এর রোজকার দিনলিপি প্রকাশ করা যেতে পারে। তবে অনিয়মিতভাবে যে প্রবন্ধ, নিবন্ধগুলো প্রকাশিত হচ্ছিল, সেগুলোর প্রকাশ অব্যাহত থাকবে।
আমরা আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ করছি।
–নির্বাহী সম্পাদক, রূপসী বাংলা



