যুক্তরাষ্ট্রে সিএনএন প্রধান কার্যালয়ে ভাঙচুর
যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের হাতে এক কৃষ্ণাঙ্গ খুন হওয়ার জেরে দেশজুড়েই ছড়িয়ে পড়েছে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ। বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পাশপাশি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
বিক্ষোভকারীরা মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনের প্রধান কার্যালয়েও ভাঙভাংচুর চালিয়েছে। শুক্রবার রাতে জর্জিয়ার আটলান্টার সিএনএন সেন্টারে ভাঙচুরের পর সেখানে পুলিশের গাড়িতেও আগুন দেয় বিক্ষোভকারীরা।
সিএনএন সেন্টারের বিক্ষোভকারীরা ইট ও ছিন্নভিন্ন কাঁচ ফেলে রেখে গেছে। এমনকি পটকাও নিক্ষেপ করা হয়।
The last moments of @CNNValencia's live shot from the entrance of the CNN Center in Atlanta before he moved to another location. pic.twitter.com/B7ZlYyt6xz
— Oliver Darcy (@oliverdarcy) May 30, 2020
সিএনএনের সাংবাদিক নিক ভ্যালেন্সিয়া বলেন, খুবই ভীতিকর অবস্থা হয়েছিল। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে কমপক্ষে দু’জন পুলিশকে আহত হতে দেখেছি।
বিক্ষোভের মূল কেন্দ্রস্থল মিনিয়াপোলিস ও সেন্ট পলস শহরে স্থানীয় সময় শুক্র ও শনিবার রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত দু দিন কারফিউ জারি করা হয়েছে।
নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলস, শিকাগো, ডেনভার, হিউস্টন, লুইসভিলা, ফিনিক্স, কলম্বাস, মেমফিসসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশের সঙ্গে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভকারীদের তুমুল সংঘর্ষ হয়েছে।
গত সোমবার ৪৬ বছর বয়সি জর্জ ফ্লয়েড নামের এক কৃষ্ণাঙ্গকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ফ্লয়েডকে রাস্তায় ফেলে তার ঘাড়ে হাঁটু দিয়ে মাটিতে চেপে ধরে রেখেছেন এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশ।
পরে শ্বাস বন্ধ হয়ে তিনি মারা যান। এ ঘটনার পর থেকে বর্ণবাদীবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্রে। ⛘



