
ইউএনও ওয়াহিদার ওপর হামলায় আটক তিনজনই যুবলীগের
দিনাজপুরের ইউএনও’র ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের পাশাপাশি তদন্ত করছে র্যাব।
ঘটনার পর বেরিয়ে আসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া জাহাঙ্গীর আলম যুবলীগের আহ্বায়ক, আসাদুল হক যুবলীগের সদস্য এবং মাসুদ রানা ঘোড়াঘাট সিংড়া ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা।
এরমধ্যে দিনাজপুর জেলা যুবলীগ মাসুদ রানাকে বহিষ্কার করেছে এবং কেন্দ্র থেকে বাকি দুইজনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, হয়রানি, মাদক সেবনের অভিযোগ আনায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান, দিনাজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজ।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় সরাসরি যুক্ত ছিল এমন দুজনকে ধরা হয়েছে বলে দাবি করছে পুলিশ।
দিনাজপুরে ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানম এবং তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় যে চারজন সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, তাদের মধ্যে দুইজন সরাসরি হামলায় সম্পৃক্ত ছিল বলে জানিয়েছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কর্নেল আশিক বিল্লাহ।
তবে তাদের নাম তিনি এখনই প্রকাশ করেন নি। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে রংপুর র্যাবের কার্যালয়ে এখনও ওই চারজনের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলে তিনি জানান।
গত বুধবার মধ্যরাতে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি ভবনে ঢুকে হামলা চালায় দুষ্কৃতিকারীরা।
ঘটনার পর পর তদন্তে নামে র্যাব ও পুলিশের যৌথ দল। বৃহস্পতিবার দিনাজপুর ডিবি গোয়েন্দা পুলিশ ইউএনও’র বাসভবনের নৈশ প্রহরী পলাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
এরপর তারা গোপন খবরের ভিত্তিতে ঘোড়াঘাট থেকে জাহাঙ্গীর ও মাসুদ রানা নামে আরও দু’জনকে আজ ভোরে সন্দেহভাজন প্রধান আসামী আসাদুল হককে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি সীমান্ত এলাকা থেকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নৈশ প্রহরী পলাশ ছাড়া বাকি তিনজনকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।❐



