
শবে বরাতে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা
রূপসী বাংলা ডেস্ক:পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বিশেষ করে বায়তুল মোকাররম, মিরপুর শাহ আলী মাজার, আজিমপুর কবরস্থান ঘিরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।
পুলিশ বলছে ব্যাগ নিয়ে বা কাউকে চেক না করে মসজিদ বা করব স্থানে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। যেকোনো অপ্রীতিকর অবস্থা এড়াতে পুলিশের এই অবস্থান বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
রাজধানীর সব থানা ও পাড়া মহল্লার মসজিদ ও কবরস্থানে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থার কমকর্তারা মাঠে রয়েছেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ আদায়, কোরআন তেলাওয়াত, জিকির, ওয়াজ, মিলাদ মাহফিলসহ নানা ইবাদত-বন্দেগি ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শবে বরাত উদযাপন করছেন। অনেকে ফজরের নামাজ আদায় করে তারা ঘরে ফিরবেন।
শবে বরাত উপলক্ষে বায়তুল মোকাররমের মসজিদের গেটে নিরাপত্তার দায়িত্বে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিটি প্রবেশপথে ছিল আর্চওয়ে। প্রত্যেককে এর ভেতর দিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছে মসজিদে।
লালবাগ থানার ওসি সুভাষ কুমার পাল ঢাকাটাইমসকে জানান, আজিমপুর করবস্থান, লালবাগ শাহী মসজিদসহ এলাকার সব মসজিদে দেহ তল্লাশি ছাড়া কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।
মিরপুর শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ঢাকাটাইমসকে জানান, শাহ আলী মাজারে প্রচুর লোক সমাগম হয়। এ কারণে অতিরিক্ত পুলিশ ছাড়াও প্রবেশপথে আর্চওয়ে বসানো হয়েছে। এছাড়া সিসিটিভি ক্যামেরা বসিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার নজর রাখা হচ্ছে।
পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হক ঢাকাটাইমসকে জানান, বায়তুল মোকারম মসজিদকে ঘিরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পল্টন থানার পুলিশ ছাড়াও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এখানে উপস্থিত আছেন। কাউকে চেক না করে মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। চেক ছাড়া কেউ ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না বলে জানান ওসি।
শবে বরাত হলো মুক্তির রজনী, যাকে আরবিতে বলা হয় ‘লাইলাতুল বরাত’। মহিমান্বিত এ রাতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা বিগত জীবনের সব ভুলভ্রান্তি ও পাপের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইবাদত-বন্দেগি ছাড়াও মৃত স্বজনদের কবর জিয়ারতও করা হয় এই রাতে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছে, বিস্ফোরকদ্রব্য, আতশবাজি, পটকাবাজিসহ অন্যান্য ক্ষতিকর ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং ফোটানো যাবে না শবেবরাত উপলক্ষে।



