
সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পানি দিবস
‘ভ্যালুয়িং ওয়াটার’ বা ‘পানির মূল্যায়ন’ কে প্রতিপাদ্য করে এ বছর সারাবিশ্বে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পানি দিবস। ১৯৯৩ সাল থেকে ২২ মার্চের এই দিনটিতে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। পানির গুরুত্ব ও ঘাটতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে দিবসটির মূল উদ্দেশ্য।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের গৃহীত এক প্রস্তাব অনুযায়ী প্রতি বছর এই দিনটিতে বিশ্ব পানি দিবস পালিত হয়। ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিওতে এ প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়।
জাতিসংঘের মতে, বিশ্বে প্রায় ৪শ’ কোটি মানুষ পানির ঘাটতিতে ভোগে। শুধুমাত্র বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির অভাবেই রয়েছে দেড়শ’ কোটির বেশি মানুষ। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক জনসংখ্যা পানি বিহীন এলাকায় বাস করবে।
এছাড়াও এক বিবৃতিতে জাতিসংঘ জানিয়েছে, খাদ্য, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পানির মূল্য অপরিসীম। এর গুরুত্ব এড়িয়ে যাওয়া মানে হলো অপূরণীয় সম্পদটিকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়া।
বিশ্ব পানি দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বাণীতে বলেছেন, “পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব পানি দিবস’ উদযাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। জীবনের মূল উপাদান হচ্ছে পানি। পানি ব্যবস্থাপনার ওপর খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশে নির্ভরশীল। বাংলাদেশের কৃষি, বনজ, প্রাণী ও মত্স্য উন্নয়নে পানি প্রধান উপাদান। ভূ-উপরিস্থ পানির অপ্রতুলতার কারণে ভূ-উপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানির সমন্বিত ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি দিবসটির সাফল্য কামনা করি।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, “পানি ছাড়া যেমন আমাদের জীবন অচল, তেমনি জলবায়ু ও প্রকৃতি যা আমাদের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে জড়িত তার স্বাভাবিক প্রবাহের জন্যও পানি অপরিহার্য। আমি আশা করি, এ দিবস পালনের মাধ্যমে আমাদের দেশের সার্বিক উন্নয়নে জনগণের মধ্যে প্রকৃতি, পানি ও জলবায়ুবিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।”
এদিকে বিশ্ব পানি দিবস পালন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।❐



