
‘ক্রীতদাসীকে’ হত্যার দায়ে আইএস বধুর কারাদণ্ড
এক ইয়াজিদি মেয়েকে হত্যার দায়ে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) এক নারী সদস্যকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে জার্মানির মিউনিখের একটি আদালত।
রূপান্তরিত মুসলিম ওই নারী আর তার স্বামী নিহত মেয়েটিকে ‘ক্রীতদাস’ হিসেবে ইরাক থেকে জার্মানিতে নিয়ে এসেছিলেন বলে সোমবার বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।
বিবিসি জানায়, জেনিফার ওয়েনিশ (৩০) নামে ওই নারী যুদ্ধাপরাধের সহযোগী হিসেবে বিচারের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তার স্বামী ওই মেয়েটিকে পানি না খাইয়ে এবং তপ্ত রোদের মধ্যে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন বলে জানা গেছে।
জেনিফারের স্বামী ছিলেন ইরাকের একজন জিহাদি। বর্তমানে ফ্রাঙ্কফুর্টের একটি আদালতে তারও বিচার চলছে।
ওই মেয়েটি ২০১৫ সালে ইরাকের ফালুজায় মারা যায়। ২০১৬ সালে তুরস্ক থেকে জেনিফারকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে জেনিফার তার বিরুদ্ধে আনা এই হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
জেনিফারের আইনজীবীর দাবি, ওই হত্যাকাণ্ডের প্রধান সাক্ষী নিহত মেয়েটির মা নোরা। কিন্তু সাক্ষী হিসেবে নিহতের মা নির্ভরযোগ্য নন। এছাড়া মেয়েটির মৃত্যুর কোনো প্রমাণও নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। নোরা ও তার মেয়েসহ আরও অনেক ইয়াজিদিকে আইএস দাস হিসেবে আটক করেছিলেন বলে জানা গেছে।
আগামী মাসে জেনিফারের স্বামী তাহা আল-জুমাইলির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হবে। এই প্রথম ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আইএসের অপরাধের কোনো মামলার রায় হলো।
কুর্দি নৃগোষ্ঠী ইয়াজিদি ইরাকের উত্তরাঞ্চলে বাস করে। তারা আইএসের সহিংসতার অন্যতম টার্গেটে পরিণত হয়েছে। ২০১৪ সালে ওই অঞ্চলে সহিংসতা চালিয়ে কয়েজ হাজার ইয়াজিদি নারী ও শিশুকে ক্রীতদাস হিসেবে বন্দি করে আইএস।



