
দাম বাড়ানো ছাড়া বিকল্প ছিল না: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলছেন, বিশ্ববাজারে দাম কমলে আমরাও কমিয়ে দেব জ্বালানি তেলের দাম। তিনি বলেন, দাম না বাড়ানোর জন্য সরকার অনেক চেষ্টা করেছে। ৩-৪ মাস অপেক্ষা করেছি, তাতে কোনো কাজ হয়নি। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমেনি। উলটো বিপিসি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। গত কয়েক মাসে ৮ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে সংস্থাটি (বিপিসি)। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় দাম না বাড়িয়ে কোনো বিকল্প ছিল না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে প্রতিলিটার ডিজেল বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকার ওপর। সেখানে আমরা বিক্রি করছি ৮০ টাকা। ফলে বিশাল অঙ্কের ডিজেল দেশ থেকে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার হয়ে যাচ্ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও এটা বন্ধ করতে পারছিল না।
বর্তমানে বিপিসি প্রতিলিটার ডিজেল কিনছে ১২২ টাকা করে। দেশে এনে সে তেল বিক্রি করছে মাত্র ৮০ টাকা। এতে প্রতিদিনই লোকসান বাড়ছিল। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ অবস্থা থাকবে না। ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে দাম কমা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিলিটার ৭৯ থেকে ৮০ ডলার হলেই বিপিসি ব্রেকইভেন্টে থাকবে। এই দরের কাছাকাছি এলেই দেশের বাজারে দাম কমিয়ে দেওয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, নার্ভাস হওয়ার কোনো কারণ নেই। আন্তর্জাতিক বাজারে যখন ১৭০ ডলার ছিল তখন দাম আরও বেশি বাড়ার কথা ছিল। তখন দাম বাড়ানো হলে ডিজেলের দাম হতো ১৬০ টাকা। কিন্তু সরকার সেটা করেনি। এখন আর উপায় নেই।



