
বাংলাদেশে এসে আমাদের অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়েছে: কেনেডি জুনিয়র
‘আমরা সারাজীবন বাংলাদেশি মানুষের সাহসিকতার ও বীরত্ব প্রদর্শনের কথা শুনেছি, এখানে এসে সেটা দেখার অভিজ্ঞতা সত্যিই বিষ্ময়কর, যা আমরা বাকি জীবনের জন্য মনে রাখব। এছাড়া আমরা অনেক কিছুর জন্য কৃতজ্ঞ যার মধ্যে আছে বাংলাদেশি খাবার। আমরা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অব্যাহত বন্ধুত্বের দিকে তাকিয়ে আছি।’
আজ মঙ্গলবার এসব কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডির ছেলে এডওয়ার্ড এম কেনেডি জুনিয়র।
বাংলাদেশ সফররত এডওয়ার্ড এম কেনেডি জুনিয়র ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্মানে সন্ধ্যায় রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে নৈশভোজের আয়োজন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, এমপি।
সন্ধ্যায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অতিথিদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন, তার স্ত্রী সেলিনা মোমেন, পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন ও তার স্ত্রী ফাহমিদা জাবিন। এসময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, অ্যাম্বাসেডর অ্যাট লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজের বক্তব্যে এডওয়ার্ড এম কেনেডি বলেন, আমাদের সঙ্গে দীর্ঘ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কেনেডি পরিবারের সবাই গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে যে সম্মান আমাদের জানানো হয়েছে, আমরা সবাই আপ্লুত। শুধু ধন্যবাদ বলতে চাই। বাংলাদেশে এসে আমাদের অসাধারণ অভিজ্ঞতা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেছি, সেখানকার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর পরিদর্শন করেছি। এগুলো সবই অভূতপূর্ব অভিজ্ঞতা। আমরা সারা জীবন বাংলাদেশি মানুষের সাহসিকতার ও বীরত্ব প্রদর্শনের কথা শুনেছি, এখানে এসে সেটা দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে। যা সত্যিই বিষ্ময়কর, আমরা বাকি জীবন এ স্মৃতি মনে রাখব।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেন, একজন মহান মানুষের সন্তান ও তার পরিবারবর্গকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।
এডওয়ার্ড এম কেনেডি জুনিয়র ও তার পরিবারের বাংলাদেশ সফরে মঙ্গলবার পর্যন্ত এডওয়ার্ড এম কেনেডি জুনিয়র যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মসূচীর আওতায় এম কেনেডি বাংলাদেশের স্বাধীনতার কট্টর সমর্থক পিতার স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা করেছেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসাবে তার বাবার রোপণ করা বটগাছটি পরিদর্শন করেন। তিনি মুক্তযুদ্ধ জাদুঘরও পরিদর্শন করেন।



