
সারওয়ার-উল-ইসলাম
কোনো কোনো বিকেলের বয়স বাড়ে না,
থেকে যায় স্নানরত কিশোরীর ঠোঁটের মতো ডাঁসা।
তেমনই এক শীতের বিকেল।
দুপুর শেষের মিষ্টি রোদে বাসা থেকে
কিছুটা পথ এগিয়ে দুজন রিকশায় চড়ি।
হুড তোলা নিয়ে দুজনের ভেতর সংকোচ-দ্বিধা।
তুমিই প্রথম বলেছিলে, ইজি হয়ে বসো।
এ কথায় আমি আরো জড়োসড়ো।
চন্দ্রিমা উদ্যানের সামনে নেমে
পশ্চিমে লেকের পাড় দিয়ে দুজন হাঁটি।
আহা কি সতেজ শীতের সেই বিকেল!
কৈশোর উত্তীর্ণ আমাদের সেই বিকেলকে মনে করে
জেগে থাকি মেঘলা রাতে, যখন বৃষ্টিতে ভিজে
পবিত্র হয় বারান্দায় ফোটা টকটকে রঙ্গন ফুল।
সেই বিকেলের উষ্ণতা আজও টের পাই।
টের পাই তোমার শরীরের ঘ্রাণ মোহনীয় হাসি
লেকের পানিতে ঝরনার শব্দ কানে বাজে আজও।
তোমার কাছ থেকে পাওয়া সেই বিকেলকে
যতনে তুলে রেখেছি বুকপকেটে।
এনজিওগ্রাম করেও ওখানে ব্লক পায়নি ডা. দেবী শেঠি।
সেই বিকেলের মৃত্যু কি হতে পারে?



