
পৃথিবীর হত্যাকান্ডকেও হার মানিয়েছে মিটফোর্ডের রক্তাক্ত গেট: বিবেকের মৃত্যু?

শাহ্ জে. চৌধুরী
ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের গেটে ঘটে গেছে ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক এক নৃশংস হত্যাকা*ন্ড।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে—ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব, আধিপত্য বিস্তার বা চাঁদাবাজির জেরে এই বর্বরতা সংঘটিত হয়।
বিএনপির সহযোগী সংগঠন চকবাজার থানা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচিত মঈন এবং তার লোকজন মিলে সোহাগ নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান—সোহাগকে পিটিয়ে ও ইট-পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে ফেলে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।
এতেও ক্ষান্ত হয়নি তারা; মৃত্যুর পরও লাশের উপর চালিয়েছে *বর্বর নৃত্য।*
এই ঘটনায় মিটফোর্ড এলাকাজুড়ে তীব্র শোক, ক্ষোভ এবং আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ যেন পৃথিবীর সব হত্যাকান্ডকেও হার মানানো এক নিষ্ঠুরতার নজির।
আমি বিগত সরকারের আমলে আর বর্তমান সরকারের আমলে দেশের মানুষের কী পরিবর্তন হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলছি না।
আমি শুধু বলতে চাই—যে দেশে বিচার ব্যবস্থা এতটাই দুর্বল ও অসহায়, সেখানে এর চেয়ে ভালো কিছু আশা করা যায় কি না, তা জানি না।
আমি শঙ্কা নিয়ে ভাবি—আগামী দিনে আর কত ভয়াবহতা, আর কত বর্বরতা আমাকে দেখতে হবে।
এই দেশ, এই সমাজ আর কতটা অধঃপতন দেখবে?
এ রাজনীতি আমার কাছে ঘৃণিত
যেখানে রাজনীতি মানুষের রক্ত আর মৃত্যুকে পুঁজি করে চলে—
যেখানে ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে মানুষ মানুষকে পশুর মতো হত্যা করে—
সেই রাজনীতি আমার কাছে ঘৃণিত।
এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও কর্মসূচি যে সংস্কৃতি গড়ে তুলেছে, তার প্রতি আমার ঘৃণা আর ধিক্কার ছাড়া কিছুই নেই।
বিচারের বেদিমূলে সমাজের বিবেকই যেন আজ লাশ হয়ে শুয়ে আছে।



