
বিজেপির হাতে কোনো ইস্যু নেই: মমতা
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক:বিজেপির হাতে আর কোনও ইস্যু নেই। ওরা আর উন্নয়নের কথা বলতে পারছে না। মোদিবাবুরা তাই এখন ভারতের সেনা নিয়ে রাজনীতি করছে। এবারে ওদের জবাব দেওয়ার সময় এসে গিয়েছে।’
বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে এক নির্বাচনী জনসভায় দাঁড়িয়ে এভাবেই ভারতের বিজেপি ও মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা এদিন বলেন, পাহাড় ও সমতলের মধ্যে আমি সেতুবন্ধন করতে চাই। তিনি বলেন, ‘গোর্খাদের আমি সম্মান করি। আমি সব সময়ই পাহাড়ের উন্নতি চাই। পাহাড়ের সঙ্গে সমতলের মেল বন্ধন ঘটানোই আমার লক্ষ্য।’
মমতা এদিন আরও বলেন, ‘আমি পাহাড়ের ভূমিপূত্র অমর সিং রাইকে আমাদের দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী করেছি। পাহাড়ে প্রার্থী এবং সমতলের প্রতীক। আমাদের মেলবন্ধনের শুরু এখান থেকেই। যা চলবে দীর্ঘদিন ধরেই। এবারে পাহাড় থেকে তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে। পাহাড় নিয়ে আমরা একসঙ্গে কাজ করবো।’
মমতা এদিন বিজেপির নাম না করে অভিযোগ করেন, একটা পার্টি দিল্লিতে বসে বড়োবড়ো কথা বলে আর পাহাড়ে এসে বিভাজন করে। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটে জিতে চলে যায়। তারপর পাঁচ বছর আর পাহাড়ে তাদের দেখা মেলে না। পাহাড়ের উন্নতির কথা ভাবে না। এবারে তাই পাহাড়ের উন্নতির জন্য পাহাড়ের ভূমিপুত্রকে জয়ী করুন। পাহাড়ের আরও উন্নতি করার সুযোগ দিন আমাদের।
মমতা এদিন সুর চড়িয়ে বলেন, পাহাড়ে আগুন জ্বালানো ছাড়া গত পাঁচ বছরে বিজেপি পাহাড়ের জন্য কিছু করেনি। শুধু বিভাজন করছে। আগুন জ্বালিয়েছে পাহাড়ে। যাদের সমর্থন নিয়ে বিজেপি পাহাড়ে বিভাজন ঘটিয়েছে সেই বিমল গুরুং ও রোশন গিরিরা টাকা কামিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন।
মমতা দাবি করেন, ‘বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আমি রাজ্যের তরফে যা যা উন্নতি করার সবই পাহাড়ের জন্য করেছি। এই পাহাড়ে নতুন জেলা হয়েছে, নতুন মহকুমা হয়েছে, পলিটেকনিক কলেজ হয়েছে। আমরা কেন্দ্রের কাছে পাহাড়ের জন্য কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় চেয়ে পাইনি। তবে রাজ্য সরকার পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছে। কার্শয়াংয়ে এডুকেশন হাব তৈরি করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।’
মমতা এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘আমরা কখনও ভারতের সেনা নিয়ে রাজনীতি করি না। আজ সেনা নিয়ে রাজনীতি করে ভোট জিততে চাইছে বিজেপি।’



