
ভারতের গর্বেরর ট্রেন-১৮-থাকছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদীর সবুজ সঙ্কেত মিললেই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ট্রেন-১৮ অর্থাৎ বন্দে-ভারত ছুটতে শুরু করবে। দেশের লাইনে ছুটবে প্রথম সেমি-বুলেট এক্সপ্রেস। নয়াদিল্লি থেকে মোদীর লোকসভা কেন্দ্র বারাণসির মধ্যে ছুটবে এই ট্রেন। মাত্র ৮ ঘন্টায় ৮০০ কিমি দূরত্ব ছুটবে এই ট্রেন। সকাল ৬টার সময় ট্রেনটি নয়া দিল্লি থেকে ছেড়ে যাবে। বারাণসি পৌঁছে দেবে দুপুর ২টোর সময়। এর মধ্যে কিছুক্ষণ ট্রেনটিকে বিশ্রাম দিয়ে ফের দুপুর আড়াইটের সময় মোদীর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ছাড়া হবে। রাত সাড়ে ১০ টার মধ্যে সেটি দিল্লি পৌঁছে যাবে বলে খবর।
পুরো শীততাপ নিয়ন্ত্রিত এই ট্রেন ৮০০ কিমি এই দূরত্বে মাত্র দুটি স্টেশনে দাঁড়াবে। প্রথমে দাঁড়াবে কানপুর এবং এলাহাবাদ। ট্রায়ালের সময়ে ট্রেনটিকে প্রতি ঘন্টায় ১১২ কিমি বেগে ছোটানো হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এরপর যখন পুরোপুরি এই ট্রেনটি চলতে শুরু করবে তখন ট্রেনটির গতিবেগ আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরোদমে যখন দেশের ট্র্যাকে ট্রেন-১৮ ছুটবে তখন ঘন্টায় ১৮০ কিমি বেগে সেটি ছুটবে বলে খবর।

পুরো প্রযুক্তি নির্ভর তৈরি করা হয়েছে ভারতের গর্বের এই ট্রেনটি। যাত্রী সাছন্দের কথা মাথায় রাখা হয়েছে। ট্রেনের মধ্যে ওয়াই-ফাই, প্যান্সেঞ্জারদের সুবিধার জন্যে জিপিএস লাগানো হয়েছে, এলইডি লাইট, আলাদা মোবাইল চার্জিং পয়েন্ট, অটোমেটিক বায়ো-ভ্যাকুম বাথরুম, 360-degree ঘুরতে পারে এমন সিট ছাড়াও রয়েছে আরও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। তবে সবথেকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি হল automatic climate control system। যা কিনা এই ট্রেনে জার্নি করার সময় একটা আরামদায়ক পরিস্থিতি তৈরি করবে।
কিভাবে কাজ করবে এই সিস্টেম?
বাইরের আবহাওয়ার উপর নির্ভর করবে এই সিস্টেম। ট্রেনের ভিতরের তাপমাত্রার সঙ্গেও নির্ভর করবে এই প্রযুক্তি। ফলে দুই জায়গায় পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নির্ভর করবে ট্রেন-১৮ এর ভিতরের তাপমাত্রা। যার ফলে যারা এই ট্রেনে সফর করবেন তাঁরা সবসময়ের জন্যে একটা সুন্দর পরিবেশের মধ্যে থাকবেন। না উষ্ণ না শীতল। ফলে জার্নি হবে আরও আরামদায়ক।



