
কুয়েতের বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
কুয়েতের বিমান ঘাঁটিতে শনিবার (৩০ মে) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন নাগরিক আহত হয়েছেন। এ ছাড়া এতে দুইটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে যখন চূড়ান্ত আলাপ চলছে তখনই এই হামলার ঘটনা ঘটল। খবর ব্লুমবার্গের। নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক এই হামলা সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তি জানান, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাতেহ-১১০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটিতে পড়েছে।
ওই ব্যক্তি জানান, এতে ঠিকাদার ও কর্মরত সেনাসদস্যসহ অন্তত পাঁচজন সামান্য আহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি রিপার ধ্বংস হয়েছে এবং অন্যটি গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ড্রোনগুলোর প্রতিটির দাম ছিল প্রায় ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে এবিষয়ে তাৎক্ষনিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। কুয়েতে এই হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন যুক্তরাষ্ট্র গত ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর থাকা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি সম্প্রসারণের জন্য একটি চুক্তির কথা বিবেচনা করছে।
২৯ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, তিনি একটি প্রাথমিক চুক্তির বিষয়ে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নিতে প্রস্তুত। এনিয়ে শুক্রবার ট্রাম্প সিচুয়েশন রুমে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক সমাপ্ত হয়েছে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ জানিয়েছে, ইরানের ফাতেহ-১১০ হলো একটি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা ৫০০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে।



