
ভগবানের কাছে পৌছার পথ –
আমরা জীবগন হলাম ” অমৃতস্য পুত্রা ” অর্থাৎ অমৃতের সন্তান । ভগবানের অংশ ” মাম এর অংশ জীব লোকে জীব ভূতে সনাতন ” অর্থাৎ জীব আমার সনাতন অংশ স্বরূপ । এই জীব যখন প্রকৃতিতে প্রবেশ করে তখন সত্ব, রজ ও তমো গুণের প্রভাবে জীবের মনে বিভিন্ন ধরনের কামনা বাসনার উদ্রেক হয় । এই কামনা বাসনা, ক্রোধ ইত্যাদি আমাদের চিত্তে মলিনতার আবরন সৃষ্টি করে । ফলে আমরা ভগবানের কথা ভূলে যাই । আমাদের শিকড় ভুলে যাই ।
আয়নায় যেমন ধুলা-বালি পড়লে নিজ প্রতিচ্ছবি ঠিকমত দেখা যায়না তেমনি চিত্তের মলিনতা ভগবানের উপলব্ধিতে বাধা দেয় ।
উপায়? তখন ভগবানের সাধন ভজন করতে হয় , পুজা অর্চনা করতে হয়, শাস্ত্র নির্দ্রশিত সমাজ কল্যাণমূলক কার্য্যাদি করতে হয় । কথা হল এগুলো করলেই কি ভগবান এর উপলব্ধি হয়, নাকি ভগবানের নিকট পৌছা যায় ?
না । তবে দক্ষিণের জানালাটা খোলা রাখতে হবে । বাতাস তো একসময় আসবেই । তখন আমরা দখিনা হাওয়া পেয়ে যাব । ঠিক যেমন চাষি তার ক্ষেত চাষ দিয়ে রাখে , যেন বৃষ্টি হলে জমিতে জল জমে, চাষ উপযোগী হয় । দক্ষিণের জানালাটা খোলা না রাখলে কখন হাওয়া এসে চলে যাবে – বুঝতেও পারবেনা ।
এই জন্য সাধন ভজন চালিয়ে যেতে হবে।
(অনুলিখনঃ এডভোকেট মিলন ভট্টাচার্য্য )



