অর্থনীতি ও বাণিজ্যপ্রধান খবরযুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ বছরে জ্বালানি তেলের দাম সর্বনিম্ন

সোমবার দেশটিতে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রতি ২০ ডলারের নিচে নেমে গেছে। করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী লকডাউন আরও স্থায়ী হলে তেলের দাম আরও কমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লকডাউনের কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ বছরের মধ্যে  জ্বালানি তেলের চাহিদা সর্বনিম্ন হওয়ার ফলে কমে গেছে তেলের দাম। সোমবার দেশটিতে তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রতি ২০ ডলারের নিচে নেমে গেছে।

রয়টার্স বলেছে, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী লকডাউন আরও স্থায়ী হলে তেলের দাম আরও কমে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইউএস টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডাব্লুটিআই)মার্কিন সূচকে তেলের দাম ৬ শতাংশ কমেছে। এর আগে ২০০২ সালে তেলের দাম ৬ শতাংশ কমে গিয়েছিল। তখন ব্যারেল প্রতি তেলের দাম ছিল ২২ দশমিক ৭৬ ডলার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, তেলের দাম এখন এতটাই কমে গেছে যে অনেক তেল সংস্থার পক্ষে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

এছাড়া যারা তেল উৎপাদনের পেছনে অনেক টাকা ব্যয় করছেন তাদের কাছে উৎপাদন বন্ধের বিকল্প নেই। কারণ চাহিদা না থাকায় তাদের বেশিরভাগের স্টোরেজেই তেল জমা আছে।

এফএক্সটিএমের বিশ্লেষক হুসেন সাইদ বলেছেন, লকডাউনের প্রভাবে তেলের দাম আরও কমে যেতে পারে। তার মতে, ব্যারেল প্রতি ১০ ডলার দামও এখন অকল্পনীয় নয়।

গোটা বিশ্বে তেলের চাহিদা এখন প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ মিলিয়ন ব্যারেল কমে যাচ্ছে যা গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ কম।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামীতে কেবলমাত্র পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলির বাইরেও তেলের উৎপাদন কমানোর প্রয়োজন হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, করোনভাইরাস মহামারী ছাড়াও, তেল বাজার নিয়ে সৌদি আরব-রাশিয়া দ্বন্দ্বের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওপর প্রভাব পড়েছে।

ন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়া ব্যাংকের পণ্য গবেষণা বিষয়ক প্রধান লচলান শাও বলেছেন, তেলের বাজার নিয়ে ওপেক, সৌদি আরব এবং রাশিয়া তাদের আচরণগুলো সংশোধন করতে পারে।

তবে ওপেক তেমন কিছু করতে পারবে না।’ তার মতে, কোভিড-১৯ এর ধাক্কা বেশ বড় আকারেই দেখা দেবে বিশ্ববাজারে। ♦

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension