
আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদল ১০৯ আসনে
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যাদেরকে প্রার্থী করেছে, তাদের মধ্যে ১০৯ জন গত সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হননি।
এদের মধ্যে অনেকেই অতীতে নানা সময় দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে ৬৯ জন একেবারেই প্রথমবারের মতো পেলেন দলের টিকিট।
আওয়ামী লীগ যেসব আসনে প্রার্থী বদল করেছে, তাদের মধ্যে ৭২ জন চলতি সংসদের সদস্য। এদের মধ্যে আবার তিন জন আছেন প্রতিমন্ত্রী।
আগামী ৭ জানুয়ারির ভোটকে সামনে রেখে রোববার ক্ষমতাসীন দল ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৮টিতে প্রার্থী ঘোষণা করে।
গত তিনটি নির্বাচনের মতো এবারও আওয়ামী লীগ জোটবদ্ধ হয়ে ভোটে যাচ্ছে। গত নির্বাচনে জোটের শরিকদের ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোর মধ্যে কুষ্টিয়া-২ ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন।
গত সংসদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ শুরুতে প্রায় সব আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। তবে ভোটের আগে আগে মহাজোটের শরিকদেরকে ৪২ আসনে ছাড় দিয়ে নিজেদের প্রার্থী রাখে ২৫৮টি।
জাতীয় পার্টিকে সে সময় ছাড় দেওয়া হয় ২৬ আসন, ১৪ দলের শরিকদের ছাড়া হয় ১৪ টি আসন।
এর মধ্যে ওয়ার্কার্স পার্টির পাঁচ, জাসদের তিন, তরিকত ফেডারেশনের দুই, বাংলাদেশ জাসদের এক ও বিকল্পধারার তিনজন নৌকা প্রতীকে ভোট করবেন। তারা ভোট করে নৌকা নিয়ে।
জাতীয় পার্টি (জেপি)কে ছাড়া হয় দুটি আসন। তারা ভোটে অংশ নেয় নিজস্ব প্রতীক বাইসাইকেল নিয়ে।
এবারও আওয়ামী লীগ জোটবদ্ধ হয়ে ভোট করবে বলে জানিয়েছে। তবে বিএনপি ও তার শরিক এবং সমমনা দলগুলো ভোটে না আসার সিদ্ধান্তে অটল। আওয়ামী লীগ এবারও জোটবদ্ধ নির্বাচন করবে বলে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে। তবে জাতীয় পার্টিকে নিয়ে মহাজোট হবে কি না, সে বিষয়ে জানানো হয়নি।
এবারও ২০১৪ সালের মতো জাতীয় পার্টিকে কিছু আসনে ছাড় দেওয়ার আলোচনা আছে। তবে এ নিয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি।
জাতীয় পার্টি ছাড়াও প্রথমবারের মতো ভোটে অংশ নিতে যাওয়া তৃণমূল বিএনপি, বিএনএমসহ আরও কয়েকটি দলকে ছাড় দেওয়ার আলোচনাও আছে।
আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী এসব মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই চলবে ১ থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ও শুনানি ৬ চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ১৮ ডিসেম্বর।
অর্থাৎ প্রতীক বরাদ্দের আগ পর্যন্ত আসন সমঝোতার সুযোগ আছে আওয়ামী লীগের।



