আন্তর্জাতিকপ্রধান খবর

করোনাভাইরাস: ইতালিতে ১ দিনে ১৯৬ জনের মৃত্যু

বুধবার ইতালিতে ১৯৬ জন মারা গেছেন। এটি রেকর্ড সর্বোচ্চসংখ্যক মৃত্যু।
 
করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ইতালি সরকারের জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরও পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি হয়েছে।
 
যা একদিন আগে মঙ্গলবার মারা যায় ৯৭ জন। নতুন করে আক্রান্তের দিক দিয়েও একদিনে সর্বোচ্চ ছিল গতকাল। ২,৩১৩ জন। যা আগের দিনের তুলনায় ১,৩৩৬ জন বেশি।
 
সুস্থ হওয়ার হারও ছিল উদ্বেগজনক গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৪১ জন। সব মিলিয়ে বিশ্বের ১২১টি আক্রান্ত দেশের মধ্যে ইতালি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা ১২,৪৬২ জন।
 
এদিকে করোনাভাইরাসের কারণে ইতালির প্রবাসী বাংলাদেশিরা চরম আতংক, উদ্বেগ ও মহাবিপাকে পড়েছেন। পর্যটন, রেস্টুরেন্টসহ পুরো ইতালির ব্যবসা-বাণিজ্যে নেমেছে ব্যাপক ধ্বস।
 
হাজার হাজার প্রবাসী কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। প্রতিটি শহরের অলিগলি ফাঁকা হয়ে গেছে। কেবল নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের জন্য সুপার সপ ও দোকানগুলোতে প্রচণ্ড ভিড় ও লম্বা লাইন দেখা গেছে।
 
ইতোমধ্যে বিমান, রেল যোগাযোগ অনেকটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে পর্যটকশূন্য পুরো ইতালি। নতুন করে কোনও হোটেল বুকিং গত দুসপ্তাহ নেই।
 
আর যারা বুকিং আগেই করেছে সেসব কোনও পর্যটক ইতালি প্রবেশ করতে পারছে না। সব মিলিয়ে পর্যটকশূন্য রোমসহ পুরো দেশ। পর্যটকনির্ভর রোমসহ পুরো ইতালি।
 
করোনাভাইরাস আতংকে নতুন করে কোনও পর্যটক আসছেন না। এর ফলে ভ্যাটিক্যান সিটি, ক্লোসিয়ামসহ প্রধান প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলো এখন পর্যটকহীন।
 
এসব এলাকার বিভিন্ন শপিংমল, রেস্টুরেন্ট দোকনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সীমিত সময়ের জন্য খোলা থাকলেও নেই কোনও ক্রেতা। ফলে বাধ্য হয়ে কর্মচারিদের ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। এভাবে হাজার হাজার প্রবাসী কর্মহীন বেকার হয়ে পড়ছেন।
 
রেস্টুরেন্টগুলোরও একই অবস্থা। কোনও ক্রেতা নেই। অনেক রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিয়ে বলেছে, অনির্দিষ্টকালের জন্যে ছুটি।
 
এদিকে শহরের প্রধান প্রধান সুপার সপগুলোতে আগের মতো প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। দুজন করে একেকবার প্রবেশ করানো হচ্ছে আর এ কারণে সপের সামনে দীর্ঘ লাইন ও প্রচণ্ড ভিড় দেখা গেছে। ♦
 
 
 
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension