
কনক কুমার প্রামানিক
স্নিগ্ধ শান্ত বিকেল শেষে-
পশ্চিম দিগন্তে লাল টকটকে দিবাকর
দিবা আলোকিত মূহুর্তকে শুভ বিদায় জানিয়ে
দিনের শেষে আলতা রাঙানো পায় বিশ্রামে যায়।
নবরাত্রী এসে হাতছানি দেয়-
ঝিঁঝিঁ ও জোনাকিরা নব উদ্যমে আড়মোড়া ভাঙে
থামে ব্রহ্মান্ডের কলরব, শান্ত প্রকৃতি
নিশাচর বাদুর আর পাখিরা ডানা ঝাপটায়।
রাত্রীকে গোধূলি দেয় ছাড়পত্র-
নিরবতার স্বাক্ষী আকাশের আলোকিত চাঁদ
গোধূলি মিশ্রিত রজনীরা স্থায়িত্ব বাড়ায়
আঁধারি এসে গ্রাস করে নির্জীব শহরের বুক।
নিয়ন আলোর বাতিতে জ্বলে-
রাজপথ আর শহরের সমস্ত অলিগলি
ঘুমন্ত আর নিষ্পাপ হয় মানব সভ্যতা
আলোর চোখে রাক্ষুসে যানগুলো নির্বিঘ্নে চলে।
থেমে যায় রাখালের বাঁশি সুর-
প্রকৃতির বুকে গাছ-গাছালি মৃদু মলয়ে দোলে
কাজল দিঘীর স্নিগ্ধ জল নিঃস্তব্ধ
অবারিত সে অন্ধকার নেমে আসে অচিরেই।



