
দ্বিতীয় সপ্তাহে সরকারি অচলাবস্থা, সিনেটে আবারও ব্যর্থ তহবিল বিল পাসের চেষ্টা
শাহ্ জে. চৌধুরী
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল সরকারের অচলাবস্থা (Shutdown) দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। সোমবার সিনেটে পরপর দুটি তহবিল বিল উপস্থাপন করা হলেও কোনোটি ৬০ ভোটের বাধা অতিক্রম করতে পারেনি। ফলে বাজেট, স্বাস্থ্যনীতি ও করছাড় নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের দ্বন্দ্ব আরও গভীর হয়েছে।
সিনেটে অচলাবস্থা
হাউস রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত বিলটি ২১ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারের ব্যয় মেটানোর জন্য ছিল, অন্যদিকে সিনেট ডেমোক্র্যাটরা তাতে স্বাস্থ্যবিমা করছাড়ের মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানায়। কিন্তু কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পায়নি।
সিনেট মেজরিটি লিডার জন থুন বলেন, রিপাবলিকানরা একই প্রস্তাব পুনরায় উত্থাপন করবেন এবং দ্বিদলীয় সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে মাইনরিটি লিডার চাক শুমার জানান, “যতক্ষণ না আমাদের ন্যায্য দাবি অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে, কোনো বিলই টিকবে না।”
প্রভাব পড়ছে কর্মচারী ও সেবায়
অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউস সতর্ক করেছে—চুক্তি না হলে সেনা সদস্য ও সরকারি কর্মীরা পরবর্তী বেতন নাও পেতে পারেন।
খাদ্য সহায়তা ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সহায়তা কর্মসূচিগুলোর তহবিলও দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মী অনুপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় ফ্লাইট বিলম্বের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “কংগ্রেসের এখন একটাই কাজ—সরকার চালু করা। এরপর আমরা স্বাস্থ্যসেবা ও করছাড়ের মতো নীতি নিয়ে আলোচনা করতে পারি।”
আগামী দিনগুলোতে কী ঘটতে পারে
সিনেট আবারও বৈঠকে বসবে এবং নতুন সংশোধনী বা সমঝোতার প্রস্তাব ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি স্বাস্থ্যবিমা করছাড় নিয়ে আলোচনা করতে রাজি, তবে শুধুমাত্র সরকার পুনরায় চালু হওয়ার পর।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—এই শর্তটি প্রথম থেকেই অন্তর্ভুক্ত না হলে তারা কোনো সমঝোতায় যাবেন না।
এভাবে দুই পক্ষের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকায়, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল সরকারের অচলাবস্থা (Shutdown) দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। সোমবার সিনেটে পরপর দুটি তহবিল বিল উপস্থাপন করা হলেও কোনোটি ৬০ ভোটের বাধা অতিক্রম করতে পারেনি। ফলে বাজেট, স্বাস্থ্যনীতি ও করছাড় নিয়ে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের দ্বন্দ্ব আরও গভীর হয়েছে।
সিনেটে অচলাবস্থা
হাউস রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত বিলটি ২১ নভেম্বর পর্যন্ত সরকারের ব্যয় মেটানোর জন্য ছিল, অন্যদিকে সিনেট ডেমোক্র্যাটরা তাতে স্বাস্থ্যবিমা করছাড়ের মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানায়। কিন্তু কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন পায়নি।
সিনেট মেজরিটি লিডার জন থুন বলেন, রিপাবলিকানরা একই প্রস্তাব পুনরায় উত্থাপন করবেন এবং দ্বিদলীয় সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে মাইনরিটি লিডার চাক শুমার জানান, “যতক্ষণ না আমাদের ন্যায্য দাবি অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে, কোনো বিলই টিকবে না।”
প্রভাব পড়ছে কর্মচারী ও সেবায়
অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউস সতর্ক করেছে—চুক্তি না হলে সেনা সদস্য ও সরকারি কর্মীরা পরবর্তী বেতন নাও পেতে পারেন।
খাদ্য সহায়তা ও নিম্ন আয়ের পরিবারের সহায়তা কর্মসূচিগুলোর তহবিলও দ্রুত শেষ হয়ে আসছে।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কর্মী অনুপস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় ফ্লাইট বিলম্বের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, “কংগ্রেসের এখন একটাই কাজ—সরকার চালু করা। এরপর আমরা স্বাস্থ্যসেবা ও করছাড়ের মতো নীতি নিয়ে আলোচনা করতে পারি।”
আগামী দিনগুলোতে কী ঘটতে পারে
সিনেট আবারও বৈঠকে বসবে এবং নতুন সংশোধনী বা সমঝোতার প্রস্তাব ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, তিনি স্বাস্থ্যবিমা করছাড় নিয়ে আলোচনা করতে রাজি, তবে শুধুমাত্র সরকার পুনরায় চালু হওয়ার পর।
অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন—এই শর্তটি প্রথম থেকেই অন্তর্ভুক্ত না হলে তারা কোনো সমঝোতায় যাবেন না।
এভাবে দুই পক্ষের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকায়, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অচলাবস্থা আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।



