
নিউ ইয়র্ক রাজনীতিবিদরা ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি উদযাপন: ‘স্থায়ী শান্তির নতুন অধ্যায়’

হোসনেআরা চৌধুরী
নিউ ইয়র্ক, অক্টোবর ১৩,২০২৫: গাজায় হামাসের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পাওয়া ২০ জন ইসরায়েলি নাগরিকের দেশে ফেরার পর নিউ ইয়র্কের রাজনীতিবিদরা একে “স্থায়ী শান্তির নতুন অধ্যায়” হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই ঐতিহাসিক মুক্তির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করেছে।
মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে অন্যতম হলেন এভিয়াতার ডেভিড, যিনি বন্দিদশায় নিজের কবর খনন করতে বাধ্য হয়েছিলেন, এবং অ্যাভিনাতান অর ও নোয়া আর্গামানি, যাদের হৃদয়বিদারক আলাদা হওয়ার দৃশ্যটি ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের আক্রমণের পর বিশ্বজুড়ে আলোচিত হয়েছিল।
নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র প্রার্থী জোহরান মামদানী শান্তিচুক্তির প্রশংসা করলেও, গাজার পরিস্থিতি ও ইসরায়েলের নীতির সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের ভবিষ্যত এমন একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ হতে হবে, যেখানে প্রতিটি মানুষ নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারে।”
অন্যদিকে, সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো ও কার্টিস স্লিওয়া হামাসের কর্মকাণ্ডের নিন্দা করেছেন এবং এই মুক্তিকে মানবিক ও নৈতিক বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছেন।
গভর্নর ক্যাথি হোচুল বলেন, “এই মুক্তির মাধ্যমে গাজার জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথ প্রশস্ত হবে, এবং এটি ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের জন্য স্থায়ী শান্তির সূচনা হতে পারে।”
এই শান্তিচুক্তির প্রথম ধাপে ইসরায়েল ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে, এবং পরবর্তী ধাপে হামাসের অস্ত্রবিরতি ও গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনী স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।



