
নির্বাচনে মাঠে থাকতে পারে সেনাবাহিনী: ইসি
নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে মাঠে নামানোর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে অতীতের যেহেতু সকল জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী ছিল, তাই এবারো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সেনাবাহিনী মাঠে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রবিবার (২৬ নভেম্বর) বিকালে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার কাজী মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই মতবিনিময় সভায় সরকারি কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির নির্বাচনে আসা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ইসি আলমগীর আরো বলেন, মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে বিএনপি যদি এসে বলে আমরা নির্বাচন করবো, আমাদের প্রস্তুতি কম বা প্রস্তুতি নেই। আমাদের জন্য নির্বাচনের শিডিউল যতটুকু পেছানো সম্ভব ততটুকু পেছান- সে ক্ষেত্রে আমরা কনসিডার করবো।
এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, একটি সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। আগামী ২৯ জানুয়ারি সংসদের মেয়াদ শেষ হবে। তাই সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই, নির্বাচন করতেই হবে। কারণ, নির্বাচন না হলে তখন সরকারে কে থাকবে? নির্বাচন না হলে শূন্যতা সৃষ্টি হবে, শূন্যতার দায়ভার নির্বাচন কমিশন নেবে না, জাতিও নিতে পারে না, এমনকি সরকারও নিতে পারে না। তাই ৭ জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
ইসি আলমগীর বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করার জন্য আমাদের যা যা করা দরকার সবই করা হবে। সেই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দেখভাল করার জন্য যারা আছেন, সবার চেষ্টা থাকবে একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। আমাদের পক্ষ থেকে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য যত রকম প্রচেষ্টা নেয়া দরকার তার সবগুলোই নিয়েছি। আমরা আশা করি একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।



