
ফুটবল ছেড়ে ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করছেন নারী ফুটবলার
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা প্রতিশ্রুতিমান ফুটবলার সঙ্গীতা সোরেন।
করোনাকালীন খেলাধুলা না থাকায় রুটি-রুজি বন্ধ হয়ে আছে খেলোয়াড়দের। তাই বাধ্য হয়ে পেটের তাগিদে খেলা ছেড়ে দিনমজুরের মতো কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড়রা।
লকডাউনের এমন কঠিন সময়ে রুটি-রুজির টানে ২০ বছর বয়সি সঙ্গীতা কুমারি ইটভাটায় দিনমজুরের কাজ করছেন। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের বাগমারি ব্লকের বাঁশমরি গ্রামের মেয়ে সঙ্গীতা। তিন বছর আগেও ভারতীয় মহিলা ফুটবলে প্রতিশ্রুতিমান তারকা হিসেবে তার নাম শোনা যেত। অনূর্ধ্ব-১৮ যুবদলের হয়ে ভুটান ও থাইল্যান্ডেও খেলেছেন তিনি।
জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপারসন রেখা শর্মা বিষয়টি নজরে আনেন ঝাড়খণ্ড সরকারের। তিনি অবিলম্বে সঙ্গীতাকে সাহায্য করার জন্য ঝাড়খণ্ড সরকারের কাছে অনুরোধ করেন।
সঙ্গীতা বলেন, গত বছর লকডাউন অন্যরকম ছিল। পরিস্থিতি খুব খারাপ ছিল। কড়া লকডাউন থাকায় কেউ দিনমজুরের কাজও করতে পারেনি। সবারই টাকা দরকার ছিল, অথচ কারও হাতে কাজ ছিল না। এবার কড়া লকডাউন নয়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কাজ করে ১৫০-২০০ টাকা পাই।❐
झारखण्ड के धनबाद में अंतरराष्ट्रीय फुटबॉल खिलाड़ी संगीता कुमारी कभी ईंट भट्ठे,कभी पतल बना कर,बकरी चरा कर पेट पालने को मजबूर है।सरकारी नौकरी का आश्वासन मिला था लेकिन आश्वासन ही रहा.
Sangita Kumari,Branch name rajgang,IFC code DKID0004726,A.c
472618210003984, Ph no .8252604536
🙏 pic.twitter.com/nRuk2ezHYT— Sohan singh (@sohansingh05) May 23, 2021



