
ভারতকে বন্ধু বানিয়েই চীনকে প্রতিহত করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে
ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির নেত্রী ও জাতিসংঘে সাবেক মার্কিন দূত নিকি হ্যালি ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের “বন্ধু” হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যাকে পাশে পাওয়া চীনের প্রভাব মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, রাশিয়ান তেলের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্বেগকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে।
হ্যালি সম্প্রতি নিউজউইক-এ প্রকাশিত এক বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ভারত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “অপরিহার্য” এবং ওয়াশিংটনকে নিউ দিল্লিকে “গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অংশীদার” হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই রিপাবলিকান নেত্রী নিজ দলের ভেতর কিছু সমালোচনার মুখে পড়েছেন, কারণ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—বাণিজ্য বিরোধের সময় তিনি ভারতকে সমর্থন করেছেন। তবে শনিবার তিনি তাঁর নিবন্ধের আরেকটি অংশের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যেখানে তিনি সতর্ক করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ ভারতকেও বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি বলেন, ‘ভারতকে রাশিয়ান তেল ইস্যুতে ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে এবং হোয়াইট হাউসের সঙ্গে সমাধান খুঁজতে কাজ করতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব। বিশ্বের দুই বৃহত্তম গণতন্ত্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সদিচ্ছা বর্তমান অস্থিরতা কাটিয়ে উঠার জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছে। বাণিজ্য বিরোধ ও রাশিয়ান তেল আমদানির মতো বিষয়গুলোতে কঠিন সংলাপ প্রয়োজন। তবে আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি ভুলে যাওয়া উচিত নয়: আমাদের যৌথ লক্ষ্য।’
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও জ্বালানি ইস্যুতে মতপার্থক্য থাকলেও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকাতে দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও গভীর করার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।



