
মা-বাবা-বোনের হত্যাকাণ্ডে মেহজাবিনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
বাংলাদেশের রাজধানীর কদমতলীতে মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুন দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) চার দিনের রিমান্ড শেষে মুনকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) জাকির হোসাইন। মুন স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়া হয়।
এর আগে রোববার (২০ জুন) তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কদমতলী থানার পরিদর্শক জাকির হোসেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবব্রত বিশ্বাস তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন মুরাদপুরে একই পরিবারে তিনজনকে ঘুমের ঔষধ সেবন ও পরে হাত পা বেধে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হত্যার অভিযোগে নিহত মাসুদ রানার বড় মেয়ে মেহজাবীন মুনকে গ্রেফতার করেছে কদমতলী থানা পুলিশ। ওয়ারী জোনের এসি শাহ আলম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে খুনের কথা স্বীকার করেছে আটক মেহজাবিন মুন। দুলাভাই শফিকের সাথে শ্যালিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। শ্যালিকার সাথে প্রেমের সম্পর্ক মা-বাবা জানতো। কিন্তু বিচার না করায় ক্ষোভ থেকে এই হত্যা করেন মুন। শনিবার সকালে খবর পেয়ে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার পর মুন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। নিহতরা হলেন, মাসুদ রানা (৫০), তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম (৪০) ও মেয়ে জান্নাতুল (২০)। এই ঘটনায় মুনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও পাঁচ বছরের মেয়ে ইফতিয়া মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন



