
বগুড়ার শেরপুরে এক নারীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আহত গৃহবধূকে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়। পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের দক্ষিণ জামুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার বলেন, ‘আমরা আহত গৃহবধূর কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনেছি। এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাক না কেন তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এজন্য অভিযান চলছে।’
ওই গৃহবধূর বরাত দিয়ে ওসি জানান, কয়েকদিন আগে শেরপুরের দক্ষিণ জামুর গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান ওই নারী। বৃহস্পতিবার রাতে শৌচাগারে যাওয়ার জন্য তিনি বের হন। এ সময় চার থেকে পাঁচজন তার মুখে গামছা বেঁধে গ্রামের একটি ফাঁকা জমিতে নিয়ে যায়। সেখানে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় অন্যরা দূরে দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিলেন।
ওসি আতাউর রহমান বলেন, ‘গৃহবধূ পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি ধর্ষণকারীকে চিনতে পেরেছেন। তার নাম আব্দুল মান্নান। তিনি একই গ্রামের বাসিন্দা। গৃহবধূর অভিযোগ, ধর্ষককে চিনে ফেলার কারণেই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। এজন্য তার মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং তাকে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায় তারা। পরে বাড়ির লোকজন গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।’
শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক গুলশান আরা বলেন, ‘ওই গৃহবধূর ওপরে পাশবিক নির্যাতন চালানোর পর মাথায় আঘাত করা হয়। এতে মাথা ফেটে গেছে এবং প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। তার অবস্থা ক্রিটিক্যাল হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বগুড়ায় শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।’



