
জঙ্গি সন্দেহে হত্যার ২৯ বছর পর ভুয়া এনকাউন্টারের কথা স্বীকার করল পুলিশ
জঙ্গি সন্দেহে হত্যা করেছিল পুলিশ। দীর্ঘ আইনি যুদ্ধের পর পুলিশের পক্ষ থেকেই স্বীকার করে নেওয়া হলো, জঙ্গি সন্দেহে ভুয়া এনকাউন্টারে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছিল।
ভারতের পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরের সুখপাল সিং যখন মারা যান, তখন তাঁর স্ত্রী দলবীর কৌরের বয়স মাত্র ১৯। তখন তিনি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বাও। স্বামীকে মিথ্যা অভিযোগে খুন করা হয়েছে—এই অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি।
পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, তাঁরা গুরনাম সিং বান্দালা নামের এক জঙ্গিকে এনকাউন্টারে হত্যা করেছে। কিন্তু অদ্ভুতভাবে ১৯৯৮ সালে ওই জঙ্গিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার পরই মৃত স্বামীকে কী কারণে মারা হলো, তা জানতে আদালতের দ্বারে ঘুরতে থাকেন স্ত্রী দলবীর। এ বিষয়ে দলবীর পাশে পান তাঁর শাশুড়িকে।
১৯৯৪ সালের এই ঘটনায় ২০০৭ সালে পাঞ্জাব পুলিশের অতিরিক্ত ডিজির নেতৃত্বে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। ২০১০ সালে দলবীর স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি করেন। তার পরই বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করে পাঞ্জাব পুলিশ।
গত ১০ ডিসেম্বর পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে হলফনামা দিয়ে পুলিশ জানায়, ভুয়া এনকাউন্টারে প্রাণ গিয়েছিল ওই যুবকের।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা



