
বেসরকারি এজেন্সিগুলোর হজযাত্রী কোটা পুনর্নির্ধারণের দাবি
বেসরকারী হজ্জ এজেন্সী, পবিত্র হজ্জ ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিন থেকে সরকারের পাশাপাশি সুনিবিড় ভাবে কাজ করে আসছে। আগামী ২০২৫ সনের হজ্জ ব্যবস্থাপনা সুন্দর, সুষ্ঠ, সুশৃংখল ও নিরবিচ্ছিন্ন এবং নির্ভিঘ্নে প্রতিপালনের লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ঠ কিছু বিষয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্ঠা মহোদয় ও প্রধান উপদেষ্ঠা মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য হজ্জ এজেন্সীর মালিকদের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ দাবী-দাওয়া পেশ করেন।
মঙ্গলবার ৩১ ডিসেম্বর রিপোর্টারস ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে বেসরকারি হজ এজেন্সির মালিকেরা এক সংবাদ সম্মেলন করে। লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, সুশৃংখল হজ ব্যবস্থাপনার স্বার্থে যেহেতু বাংলাদেশের অধিকাংশ হাজী সাহেবগণ বয়োবৃদ্ধ অবস্থায় হজ পালনে যায় তাদের সেবাদানের জন্য এজেন্সি প্রতি ১০০ (একশত) কোটা নির্ধারণ করা সময়ের যৌক্তিক দাবী। সরকারের সর্বশেষ হজনীতি অনুযায়ী এজেন্সী প্রতি সর্বনিম্ন কোটা ১০০ (একশত) সবোর্চ্চ ৩০০ (তিনশত) নির্ধারিত আছে।
এমতাবস্থায় কোটা ৫০০ (পাঁচশত) নির্ধারণ করা হয়েছে, এটি সুশৃংখল ও সুষ্ঠ হজ ব্যবস্থাপনার অন্তরায়। তাই কোটা ১০০ করা অন্যথায় গত বছরের ন্যায় ২৫০ (দুইশত পঞ্চাশ) করার জোর দাবী জানান এই এজেন্সি।
দাবীটি বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় উপদেষ্ঠা মহোদয় সৌদি হজ্জ মন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করে সমাধান করতে এবং প্রয়োজনে মাননীয় প্রাধান উপদেষ্ঠা মহাদয়ের মাধ্যমে প্রদক্ষেপ নিলে বিষয়টি সমাধান হবে বলে ঞঞমনে করেন তারা।
প্রতি ৪০ জন হজীর জন্য একজন গাইড নির্ধারন করতে হবে, প্রতিটি এজেন্সীকে ১ টি বারকোড বা মিশন ভিসা প্রদান করতে হবে, লিড এজেন্সীর মোনাজ্জেমদের জন্য ৬ থেকে ১ বছরের মাল্টিপল ভিসার ব্যবস্থা করা। যারা বিগত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে নিবন্ধনের ব্যাংক ভাউচার করেছিল সেই সমস্ত ভাউচার গ্রহণ করে আগামী বছর তাদের পবিত্র হজ পালনের সুযোগ দেওয়ার দাবী করেন।
মাশায়ের কোম্পানি গ্রহন করার সময়, ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা।
বাড়ী ভাড়া করার সময়সূচীর আগে ফাইনাল ফ্লাইট সিডিউল ঘোষণা করা এবং সকল হজ্জযাত্রীদের টিকেট নিশ্চিত করা।
বাড়ী ভাড়াসহ অন্যান্য চুক্তি করার সময়, পবিত্র রমজান পর্যন্ত বৃদ্ধি করা।
ভিসা ইস্যুর সময় সর্বশেষ হজ্জ ফ্লাইটের একসপ্তাহ পূর্ব পর্যন্ত চালু রাখা।
ইতোমধ্যে এজেন্সির একাউন্ট হতে সৌদি পর্বের খরচ বাবদ টাকা কেটে নেয়া হয়েছে। অথচ সৌদি পর্বের খাতওয়ারী খরচের হিসাব অফিসিয়ালি এখনো অবহিত করা হয়নি। এমতাবস্থায় কিভাবে এজেন্সী বাড়ী ভাড়া করবে। অনতিবিলম্বে সৌদি পর্বের খরচ অবহিত করা।
লীড এজেন্সি নিয়োগের বিধি সংশোধন করে “হাজী যার-দায় তার” বিধান সংযোজন করা। মুয়াল্লিমের মাধ্যমে বাড়ী ভাড়া ও খানা নেয়ার বাধ্যবাধকতা বাতিল করে পূর্বের ন্যায় বহাল রাখা।
উপরোক্ত সমস্যা গুলোর আশু সমাধানে সরকারের সু-দৃষ্টি ও পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।
সরকার হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে আন্তরিক ও নিরোলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং কোটা সমস্যা সমাধানে ও কর্জে হাসানার টাকা আগামী ৩০ জুন ২০২৫ পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করায় অন্তর্বর্তী সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।



