
কিউবায় চলতি বছর চিনি উৎপাদন কমার পূর্বাভাস
কিউবায় চলতি বছর অপরিশোধিত চিনি উৎপাদন দুই লাখ টনের নিচে নেমে যেতে পারে। সম্প্রতি প্রকাশিত দ্য ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকস অ্যান্ড ইনফরমেশন এজেন্সির প্রতিবেদন ও শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। উনিশ শতকের পর প্রথমবারের মতো দেশটির চিনি উৎপাদনে এ হ্রাস দেখা যাবে। খবর রয়টার্স।
রাষ্ট্রায়ত্ত একচেটিয়া প্রতিষ্ঠান এজেডকিউবা চলতি বছর ২ লাখ ৬৫ হাজার টন চিনি উৎপাদনের পরিকল্পনা করেছিল। তবে প্রক্রিয়াকরণের মৌসুম শেষের দিকে হওয়ায় উৎপাদনে প্রায় এক লাখ টন ঘাটতি রয়ে গেছে। সরকারি সংবাদ ও খাতসংশ্লিষ্ট সূত্রের দেয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রয়টার্স এক হিসাবে এ তথ্য জানিয়েছে।
ঐতিহাসিকভাবে কিউবার অর্থনীতি চিনি রফতানির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। তবে দেশটিতে উৎপাদন দিনদিন কমছে। এমনকি চলতি বছর ন্যূনতম চাহিদা মেটাতে নিজের উৎপাদনের তুলনায় বেশি আমদানি করতে বাধ্য হবে দেশটি। কিউবা ২০২৩ সালে সাড়ে তিন লাখ টন চিনি উৎপাদন করেছিল। ২০১৯ সালে এ পরিমাণ ১৩ লাখ টনে নেমে আসে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা, অদক্ষতা ও কভিড-১৯ মহামারীর কারণে ধ্বংসপ্রায় অর্থনীতির সর্বশেষ চিত্র এটি। আখ চাষ ও মিলজাত প্রক্রিয়ায় বাধা, প্রধান কাঁচামালের অভাব ও তদারকিতে বিচ্যুতির কারণে চিনি উৎপাদন ব্যাপকভাবে কমে গেছে।
কিউবার পূর্বাঞ্চলের লাস তুনাস প্রদেশ চলতি বছরের এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে মাত্র পাঁচ হাজার টন চিনি উৎপাদন করেছে, যা তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১১ শতাংশ।



