
এবার পুলিশকে আক্রমণের অভিযোগে লাদাখে গ্রেপ্তার ২ নেপালি নাগরিক
পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা এবং সংবিধানের ষষ্ঠ তপসিলে অন্তর্ভুক্তি। এই দুই দাবিতে বুধবার যুব সংগঠনের বিক্ষোভে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে লাদাখ। মৃত্যু হয় চারজনের। জখম অন্তত ৮০। ওই বিক্ষোভের পর থেকে থমথমে লে। জারি কার্ফু। দোকান-বাজার, সরকারি অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। জায়গায় জায়গায় মোতায়েন পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী। পুলিষের এক পদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এদিন কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। এরইমধ্যে ঘটনায় নয়া মোড়। এখনও পর্যন্ত ৬০জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এরমধ্যে নেপালের দুই নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর। এই ঘটনায় বিক্ষোভে ‘বিদেশি মদতে’র দাবিই জোরাল হল বলে মনে করা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, লাদাখের গণবিক্ষোভে চারজন নেপালি নাগরিক আহত হয়েছেন। এর মধ্যে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি দু’জনের চিকিৎসা চলছে। গ্রেপ্তার হওয়া বিক্ষোভকারীদের শারীরিক পরীক্ষার জন্য স্থানীয় এসএনএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর তাদের আদালতে পেশ করা হবে। শুরু থেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি ছিল এই ঘটনার পিছনে বিদেশি মদত রয়েছে। নেপালি নাগরিকদের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা সরকারের এই দাবিকে আরও জোরদার করেছে।
লেফটেন্যান্ট গভর্নর কবিন্দার গুপ্তা এদিন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। এরইমধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোরও। বুধবারই ঘটনায় পরিবেশ কর্মী সোনাম ওয়াংচুকের বিরুদ্ধে উস্কানির অভিযোগ তুলেছিল কেন্দ্র। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সোনামের হুঁশিয়ারি, তাঁকে জেলে পাঠানো হলে পরিস্থিতি আরও বিগড়ে যেতে পারে। ওই পরিবেশ কর্মীর আশঙ্কা, জন নিরাপত্তা আইনে তাঁকে দু’বছরের জন্য জেলে পাঠানো হতে পারে। এরপরই সতর্কতার সুরে সোনামের বক্তব্য, ‘আমি জেলে যেতে প্রস্তুত। তবে মুক্ত সোনম ওয়াংচুকের থেকে জেলবন্দি সোনম ওয়াংচুক কাছে আরও বেশি সমস্যার হবে।’
সূত্র : টাইমস নাও



