
বুথফেরত সমীক্ষা পাত্তা দিচ্ছেন না, ২২৬ আসন জয়ের দাবি মমতার
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি অর্থের বিনিময়ে এসব সমীক্ষার ফলাফল প্রভাবিত করেছে বলে অভিযোগ তার। একই সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ২২৬টির বেশি আসনে জয় পাবে বলে দাবি তার।
বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষায় বিজেপির এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
অধিকাংশ সমীক্ষায় দলটিকে ১৫০টির বেশি আসন পেতে পারে বলে দেখানো হয়, যা সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় ১৪৮ আসনের চেয়ে বেশি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে মমতার এমন অভিযোগ ও দাবি উঠে আসে।
সমীক্ষা প্রত্যাখ্যান করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মমতা জানান, এগুলো ‘পরিকল্পিতভাবে তৈরি’ এবং সংবাদমাধ্যমকে চাপ দিয়ে প্রচার করানো হয়েছে।
বুথফেরত সমীক্ষাকে ‘বিজেপির চক্রান্ত’ বলেও উল্লেখ করেছেন মমতা।
তিনি বলেন, ‘টাকা দিয়ে বলা হয়েছে ওটা দেখাতে। জোর করে সংবাদমাধ্যমকে এটা করতে বাধ্য করা হয়েছে।’
তিনি দাবি করেন, জনগণের ভোট তৃণমূলের পক্ষেই গেছে এবং ফলাফল প্রকাশ হলে প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হবে।
মমতা বলেন, ‘আমরা ২২৬ ক্রস করব।
২৩০-ও পেয়ে যেতে পারি। মানুষ যে ভাবে ভোট দিয়েছে, আমার পুরো ভরসা রয়েছে।’
একই সঙ্গে ভোটের সময় তৃণমূল কর্মীদের ওপর কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের ‘নির্যাতন’-এর অভিযোগও তোলেন তিনি। গণনার দিন সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে দলীয় প্রার্থী ও কর্মীদের গণনাকেন্দ্রে অবস্থান করার নির্দেশ দেন মমতা।
এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে বুথফেরত সমীক্ষা বা প্রাক-নির্বাচনী জনমত সমীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে।
বিভিন্ন সংস্থার জরিপ তুলে বলা হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এগিয়ে রয়েছে এবং কিছু সমীক্ষায় সংখ্যাগরিষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এটি অতিক্রম করতে পারে বলেও ইঙ্গিত করেছে।
যদিও ভারতের নির্বাচনী ইতিহাস বলছে, এই ধরনের বুথফেরত বা প্রাক-নির্বাচনী জনমত সমীক্ষা সব সময় চূড়ান্ত ফলের সঙ্গে মেলে না। অতীতে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে, যেখানে পূর্বাভাস ভুল প্রমাণিত হয়েছে।



