
‘বুদ্ধ, নিরবতায় প্রকাশ’
মে মাসের সেই পূর্ণিমার দিনটাতে বুদ্ধ যখন আলোকিত হয়ে উঠলেন, তিনি পুরো সপ্তাহ জুড়ে নিরবতা পালন করেছিলেন। স্বর্গে বসে সকল স্বর্গদূতেরা ভয় পেয়ে গিয়েছিল। তারা জানত হাজার বছরে একবার বুদ্ধের মত প্রস্ফুটিত হয়। স্বর্গদূতেরা বুদ্ধকে কিছু বলতে অনুরোধ করল। বুদ্ধ বললেন, ‘যারা জানে, তারা আমি বলার আগেই জানে এবং যারা জানে না তারা আমি বললেও জানবে না।‘
বুদ্ধ বললেন, ‘শব্দ এটা প্রকাশ করতে পারে না। অতীতে অনেক ধর্মগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে, সত্য সেখানেই শুরু যেখানে শব্দর সমাপ্তি।‘ স্বর্গের দূতেরা বলল, ‘আপনি সঠিক বলেছেন। কিন্তু তাদের কথা একবার বিবেচনা করুন যারা এর মাঝামাঝি রয়ে গেছে, যারা সম্পূর্ণভাবে আলোকিতও নয়, আবার অজ্ঞও নয়। তাদের জন্যে কয়েকটি শব্দ বলুন। দয়া করে তাদের জন্যে বলতে অনুরোধ করছি। আপনার উচ্চারিত প্রত্যেকটি শব্দই নিরবতা তৈরি করবে।‘ শব্দর নির্মাণই হয় নিরবতা তৈরির উদ্দেশ্যে। যদি শব্দ আরও কোলাহল তৈরি করে, তাহলে তারা তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারে নি।
‘মেনিফেস্টেশন অব সাইলেন্স’ থেকে।



