অগ্নিঝরা মার্চমুক্তিযুদ্ধস্বাধীনতা

২৫ মার্চ স্বাধীন পূর্ববাংলা দিবস পালনে ভাসানীর আহ্বান

জাকির হোসেন

১৭ মার্চ। একাত্তরের এইদিনে ন্যাপ সভাপতি মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী আগামী ২৫ মার্চ ‘স্বাধীন পূর্ববাংলা দিবস’ পালনের জন্য দলীয় কর্মী ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ এদিন ২৩ মার্চ ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালনের আবেদন জানায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদিন সংকট নিরসনে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা আলোচনা করেন। এ বৈঠক শেষ হওয়ার আগে সাবেক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী মি. কর্নেলিয়াস ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মেজর জেনারেল ওমর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্টের চিফ স্টাফ অফিসার লে. জেনারেল পীরজাদার সঙ্গে আলোচনা করেন। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রধান খান আব্দুল ওয়ালী খান ঢাকায় প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে প্রায় একঘণ্টা স্থায়ী আলাপ-আলোচনা করেন।
 
আলোচনা শেষে তিনি বলেন , শাসনতান্ত্রিক সংকট নিরশনের জন্য জাতীয় পরিষদই সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপযুক্ত স্থান। এদিকে গত ‘২ মার্চ থেকে ৯ মার্চ’ পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী নামানোর কারণ অনুসন্ধানের জন্য ‘খ’ জোনের সামরিক আইন প্রশাসক এদিন ঢাকায় এক তদন্ত কমিশন গঠনের জন্য বিশেষ আদেশ জারি করেন।
 
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, অবিলম্বে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর, বাঙালিদের ওপর গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে অটল থাকেন। এসব দাবি মেনে না নেয়ায় কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সংলাপ শেষ হয়। এ কারণে প্রায় একঘণ্টা স্থায়ী ওই বৈঠক ব্যর্থ হয়। এদিনও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গাড়িতে কালো পতাকা উড়িয়ে প্রেসিডেন্ট ভবনের বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে তিনি নিজ বাসভবনে ফিরে এসে সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, আরো আলোচনা হবে। সেই সঙ্গে তিনি এও জানান, লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। পরে তিনি আন্দোলনের লক্ষ্য স্থির করে দেন।
 

দেশের শাসনতাল্পিক সংকট সমাধানে এ দিন শীর্ষ পর্যায়ে (মুজিব-ইয়াহিয়া) আলোচনা চললেও দেশব্যাপী অসহযোগ অব্যাহত থাকে। মিছিল ও সমাবেশে মুক্তিকামী মানুষ স্বাধিকার আদায়ের বজ্রকঠিন শপথ গ্রহণ করে। স্বাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে এদিন পাকিস্তান সরকারের দেওয়া খেতাব বর্জন করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাক্তন এম এন এ অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খান এবং বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা লেখক সরদার জয়েন উদ্দিন।

পরদিন ১৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার ) প্রকাশিত বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা এসব ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে। এ দিন সংবাদ ‘ প্রেসিডেন্টের সহিত দ্বিতীয় দফা বৈঠক : আজ পুনরায় আলোচনার সম্ভাবনা, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলিবে : মুজিব শিরোনামে প্রধান খবর হিসেবে ৮ কলামে প্রকাশ করে। আজাদে -এ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত অন্যন্য সংবাদগুলোর শিরোনাম ছিল, ‘শাসনতান্ত্রিক সংকট নিরসনে জাতীয় পরিষদই উপযুক্ত স্থান : ওয়ালী’ ,‘মওলানা ভাসানী কর্তৃক স্বাধীন পূর্ববাংলা দিবসও পালনের আহ্বান’ ‘ কর্নেলিয়াস-পীরজাদা-ওমর আলোচনা’,‘ ত্যাগ স্বাধিকারে প্রস্তুত থাকুন’, ইত্যাদি।
 
আজাদ ‘মুজিব ইয়াহিয়া বৈঠক, সফল কি ব্যর্থ জানি না আলোচনা চলিতেছে: মুজিব’ শিরোনামে প্রধান খবর হিসেবে ৬ কলামে প্রকাশ করে। এছাড়া আজাদ ‘ সেনাবাহিনী তলবের কারণ অনুসন্ধান তদন্ত কমিশন গঠনের আদেশ জারি ,‘৫৩তম জন্ম দিবসে বঙ্গবন্ধু: আমি তোমাদেরই লোক’, ‘মিছিল বিক্ষোভ ও প্রতিবাদে গ্রাম বন্দর নগর’ শিরোনামে কয়েকটি খবর গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করে।
 
১৮ মার্চ (বৃহস্পতিবার) দৈনিক সংবাদ ও আজাদে প্রকাশিত কয়েকটি প্রতিবেদন তুলে ধরা হলো:
প্রেসিডেন্টের সহিত দ্বিতীয় দফা বৈঠক সম্পন্ন : আজ পুনরায় আলোচনার সম্ভাবনা, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চলিবে : মুজিব
 
(নিজস্ব বার্তা পরিবেশক) আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবর রহমান গতকাল (বুধবার) প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সহিত দ্বিতীয় দফা আলোচনা শেষে তাহার ধানমন্ডিস্থ’ বাসভবনে জনৈক সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন যে, আলোচনা চলিবে, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলিবে। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, আমি কি আন্দোলন প্রত্যাহার করিয়া লইয়াছি? আমি আন্দোলন প্রত্যাহার করি নাই।’
 
 
অপেক্ষমান সাংবাদিকদের সহিত আলোচনার শেষ পর্যায়ে জনৈক সাংবাদিক অনুযোগের সুরে বলেন, ‘আপনি তো কিছুই বলিলেন না।’ জবাবে শেখ সাহেব বলেন, হ্যাঁ, কিছুই বলিলাম না। তারপর তিনি বলেন, আন্দোলন চলিবে লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত।

গতকাল বুধবার শেখ সাহেব ও প্রেসিডেন্টের মধ্যকার দ্বিতীয় দফা আলোচনা মাত্র এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়। আলোচনা প্রেসিডেন্ট ভবনেই অনুষ্ঠিত হয়। শেখ সাহেব তাহার কালো পতাকা শোভিত সাদা গাড়িতে চড়িয়া সকাল ১০টা ৫ মিনিটে প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রবেশ করেন এবং ১১টা ৬ মিনিটে বাহির হইয়া আসেন। আজ (বৃহস্পতিবার) তৃতীয় দফা আলোচনা অনুষ্ঠানের সম্ভাবনা রহিয়াছে। দ্বিতীয় দফা আলোচনা মাত্র ১ ঘণ্টার মধ্যে সমাপ্ত হইবে ইহা কেহ ধারণা করিতে পারে নাই। ফলে শেখ সাহেব বাহির হইয়া আসার সময় অধিকাংশ দেশি-বিদেশি সাংবাদিকই প্রেসিডেন্ট ভবনে উপস্থিত ছিলেন। শেখ সাহেবের গাড়ি প্রেসিডেন্টের ভবন হইতে বাহির হইয়া আসিতে দেখিয়া ওই সময় উপস্থিত সাংবাদিক এবং আলোকচিত্রীরা তাহার গাড়ির নিকট ছুটিয়া যান। শেখ সাহেব জানালা দিয়া মাথা বাহির করিয়া বলেন, একটু সামনে চলুন। ইহার পর সাংবাদিক এবং আলোকচিত্রীরা পরিবেদ্বিত শেখ সাহেবের কালো পতাকা শোভিত গাড়ী খানি প্রেসিডেন্ট ভবনের সদর দরজা হইতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দহৃরে আসিয়া থামে। তারপর শেখ সাহেব গাড়ির দরজা খুলিয়া নামিয়া আসেন। তিনি আগের দিনের মতোই গাড়ির প্রথম সারিতেই উপবিদ্ব ছিলেন।
 
শেখ সাহেব গাড়ি হইতে বাহির হইবার সময়েই সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করিয়া বলেন, দেখুন আমার বলার কিছুই নাই। আলোচনা অব্যাহত রহিয়াছে। আমরা আবার আলোচনায় মিলিত হইবো। এই পর্যায়ে জনৈক সাংবাদিক জানিতে চাহেন পরবর্তী দফা আলোচনা কখন অনুষ্ঠিত হইবে। শেখ সাহেব বলেন, সময়ক্ষণ এখনো নির্ধারিত হয় নাই। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে, প্রেসিডেন্টের সহিত আর কেহ উপস্থিত ছিলেন না। যাহা হউক, শেখ সাহেব প্রেসিডেন্ট ভবন হইতে স্থায়ী ভবনে প্রত্যাবর্তনের পর তাহার দলীয় হাই কমান্ডের সহিত আলোচনায় মিলিত হন। তিনি দলীয় হাই কমান্ডকে প্রেসিডেন্টের সহিত তাহার আলোচনা সম্পর্কে অবহিত করেন এবং সেই আলোকে আলোচনা করেন।
(সংবাদ: ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার ১৯৭১)
 
কর্নেলিয়াস-পীরজাদা-ওমর আলোচনা
গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় এখানে শ্রুত বিবিসির এক সাংবাদে বলা হয়েছে, গতকাল (বুধবার) মুজিব-ইয়াহিয়া দ্বিতীয় দফা বৈঠক শেষ হওয়ার পূর্ব মুহৃর্তে সাবেক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী মি. কর্নেলিয়াস ও ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি মেজর জেনারেল ওমর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্টের চিফ ¯ল্টাফ অফিসার লে. জেনারেল পীরজাদার সহিত এক আলোচনায় মিলিত হন।
(সংবাদ: ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার ১৯৭১)
 
ত্যাগ স্কীকারে প্রস্তুত থাকুন
(নিজস্ব বার্তা পরিবেশক) আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবর রহমান গতকাল পুনরায় বলেন যে, জনগণের দাবি আদায়ের জন্য তিনি তাহার শেষ রক্তবিন্দু পর্যল্পø দান করিবেন। গতকাল (বুধবার) স্থায়ী ভবনে সমবেত জনতার উদ্দেশে বক্তৃতাকালে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। শেখ মুজিব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত যে কোনো ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি জনতার উদ্দেশে বলেন, অধিকার আদায়ের সংগ্রামে রক্তদানকারী শহীদানের রক্ত বিফলে যাইতে দিব না। তিনি উল্লেখ করেন, জনতার এই সত্য ও ন্যায়ের সংগ্রামে জনগণেরই বিজয় হইবে। পূর্বাহেক্র কয়েকটি মিছিল শহর প্রদক্ষিণের পর শেখ সাহেবের বাসভবনে আসিয়া সমবেত হয়। (সংবাদ: ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার ১৯৭১)
 

শাসনতান্ত্রিক সংকট নিরসনে জাতীয় পরিষদই উপযুক্ত স্থান : ওয়ালী

(নিজস্ব বার্তা পরিবেশক) : ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রধান খান আন্ধুল ওয়ালী খান গতকাল (বুধবার) ঢাকায় প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের সহিত একঘন্টা স্থায়ী আলাপ-আলোচনা শেষে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের নিকট এক প্রশ্নের জবাবে বলেন যে, শাসনতান্ত্রিক সংকট নিরসনের জন্য জাতীয় পরিষদই সিদ্ধান্ত গ্রহণের উপযুক্ত স্থান। আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবর রহমানের ৪ দফা দাবি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হইলে ন্যাপ প্রধান বলেন, এ ব্যাপারে পূর্বেই আমি আমার অভিমত ব্যক্ত করিয়াছি। এখানে উল্লেখযোগ্য যে, ন্যাপ প্রধান ঢাকা আগমনের সঙ্গে সঙ্গে সাংবাদিকদের নিকট শেখ সাহেবের ৪ দফায় সহিত মতৈক্য ঘোষণা করেন। (সংবাদ: ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার ১৯৭১)
 
মওলানা ভাসানী কর্তৃক স্বাধীন পূর্ববাংলা দিবসও পালনের আহ্বান
(নিজস্ব বার্তা পরিবেশক) : ভাসানী ন্যাপ সভাপতি ওমলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী আগামী ২৫ মার্চ স্বাধীন পূর্ববাংলা দিবস পালনের জন্য দলীয় কর্মী ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানাইয়াছেন।
গতকাল (বুধবার) সকালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তৃতাকালে ভাসানী ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক জনাব মশিহুর রহমান এই তথ্য প্রকাশ করেন। জনাব মশিহুর রহমান সাংবাদিক সম্মেলনে মওলানা ভাসানী আহুত উক্ত স্বাধীন পূর্ববাংলা দিবসের কর্মসূচি ঘোষণাকালে বলেন, পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে আসিয়া পৌছিয়াছে যেখান হইতে আর পিছনে হটিয়া আসা সম্ভব নয়। সুতরাং প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার পক্ষে শেখ মুজিবর রহমানের দাবিসমহৃহ মানিয়া লওয়াই সমীচীন হইবে।
(সংবাদ: ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার, ১৯৭১)
 
সেনাবাহিনী তলবের কারণ অনুসন্ধান
তদন্ত কমিশন গঠনের আদেশ জারি
ঢাকা, ১৭ই মার্চ। ২রা মার্চ হইতে ৯ই মার্চ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় যে পরিস্থিতিতে সামরিক কর্তৃপক্ষকে সাহায্যের জন্য সেনাবাহিনী তলব করা হয় উহার কারণ অনুসন্ধানের জন্য ‘খ’ জোনের সামরিক আইন প্রশাসক এক তদন্ত কমিশন গঠনের জন্য আজ ঢাকায় এক বিশেষ আদেশ জারি করিয়াছেন। পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের একজন বিচারপতির নেতৃত্বে উক্ত তদন্ত কমিটি গঠন করা হইবে। প্রধান বিচারপতি তদন্ত কমিশনের প্রধানকে মনোনয়ন দান করিবেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনী, পাকিস্তান সিভিল সার্ভিস, পাকিস্তান পুলিশ সার্ভিস এবং ইপিআর হইতে সদস্য লইয়া চার সদস্য বিশিষ্ট উক্ত তদন্ত কমিটি গঠন করা হইবে। ‘খ’ জোনের সামরিক আইন প্রশাসকের নিকট কমিশন উহার রিপোর্ট পেশ করিবেন বলিয়া নির্দেশ দেয়া হইয়াছে। -এপিপি (আজাদ: ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার ১৯৭১)
 
খেতাব বর্জন:
ঢাকা ১৭ই মার্চ।বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাক্তন এম এন এ অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খান অদ্য তাহার তমঘা-ই-কায়েদে আজম খেতাব বর্জন করিয়াছেন।
 
সরদার জয়েন উদ্দিন: বাংলাসাহিত্যের খ্যাতনামা লেখক সরদার জয়েন উদ্দিন তাঁহার তমঘা-ই-ইমতিয়াজ খেতাব বর্জনের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন। -এপিপি (আজাদ: ১৮ মার্চ বৃহস্পতিবার, ১৯৭১)
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension