
মানহানির মামলায় আজ আদালতে হাজিরা রাহুল গান্ধীর
রূপসী বাংলা কলকাতা ডেস্ক: মানহানির মামলায় আজ বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের মাজগাঁও আদালতে হাজিরা দিতে হবে সদ্য প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতিকে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেই তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল আদালত। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের কারণে তিনি কিছু সময় চেয়েছিলেন। রাহুলের সেই আবেদন মঞ্জুর করেছিল আদালত।
ঘটনার সূত্রপাত, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। ওই সময়ে হত্যা করা হয় সাংবাদিক গৌরি লঙ্কেশকে। সেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ জ্রিত আছে বলে দাবি করেছিলেন রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি ছিল, সংঘের মতাদর্শের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললেই প্রাণ হারাতে হচ্ছে।
প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা রুজু করে সংঘ সেবক ধ্রুতিমান জোশি। ২০১৭ সালের সেই মামলায় রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বাম নেতা সীতারাম ইয়েচুরি এবং প্রাক্তন কংগ্রেস সভানেত্রী তথা রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধীর নাম ছিল। যদিও সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠিয়ে নেয় আদালত।
মামলকারী ধ্রুতিমান জানিয়েছেন যে প্রবীণ সাংবাদিক গৌরি লঙ্কেসের হত্যা নিঃসন্দেহে একটি নিন্দনীয় ঘটনা। কিন্তু সেই ঘটনার সঙ্গে সংঘের কোনও যোগ ছিল না। তাঁর কথায়, “অযাচিতভাবে ওই খুনের ঘটনার সঙ্গে সংঘের নাম জড়ানো হয়েছিল। এতে মানুষের মনে সংঘ এবং সেবকদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। এই সবই করা হয়েছিল রাজনৈতিক ফায়দা তোলার উদ্দেশ্যে।”
এদিন রাহুল গান্ধীর পাশাপাশি সীতারাম ইয়েচুরিকেও হাজিরা দিতে হবে মহারাষ্ট্রের আদালতে। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৯ এবং ৫০০ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রথমটি মানহানি এবং দ্বিতীয়টিতে মানহানির জন্য শাস্তি প্রদানের কথা উল্লেখ রয়েছে।
রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রে মানহানির মামলা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে এই একই অভিযোগ করা হয়েছিল। সেক্ষেত্রেও মাম্লাকারি ছিলেন এক সংঘ সেবক। জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর জন্য সংঘকে দায়ী করার অপরাধে রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন সংঘ সেবক রাজেশ কুন্তে।



