
আমেরিকায়ও বাকস্বাধীনতা নেই: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা পুরোপুরি বহাল আছে বলে দাবি করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন৷
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেছেন, আমেরিকাতেও বাকস্বাধীনতা নেই।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশিরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।’
করোনার সময়ে বাকস্বাধীনতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে সাত দেশের রাষ্ট্রদূত, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রিন্সিপ্যিাল ডেপুটি অ্যাসিস্যান্ট সেক্রেটারি ও বাংলাদেশের সম্পাদক পরিষদের উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে শুক্রবার জার্মানির সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যারা বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলেন তাদের দেশে কি এসব আছে? আমেরিকায়ও তো বাকস্বাধীনতা নাই। তাদের দেশ নিয়ে সেই দেশে কোনো বিদেশি রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলতে পারবে?’’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘ওইসব দেশের উচিত কোভিড ১৯ নিয়ে আগামী ছয় মাসে তারা যে সহায়তা করতে পারেন, তা নিয়ে কথা বলা৷ মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের যারা আছেন, তাদের কিভাবে সহায়তা করবেন এগুলো নিয়ে তারা প্রোগ্রাম করলে আমরা কথা বলতে পারি। ওই লোকগুলো যাতে না খেয়ে না মরে।’
তিনি বলেন, ‘আমেরিকার কথা বলছেন, ওইসব দেশেও তো বাকস্বাধীনতা নাই। আপনি প্রশ্ন করলে ওরা তো আপনাকে কাট করে দেবে৷ ওরা হয়ত টিভি স্টেশন বন্ধ করবে না৷ কিন্তু যা চার্জ করবে, তাতে আপনি টিকে থাকতে পারবেন না।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রী মনে করেন, ‘বাংলাদেশে বাকস্বাধীনতা ক্ষুন্ন হয় নি। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হওয়ার মতো কোনও ঘটনা ঘটে নি। বাংলাদেশ মুক্তভাবে কথা বলার একটি দেশ। এখানে যা খুশি লেখা যায়। এখানে মিথ্যা কথা বললেও কোনও শাস্তি হয় না। যারা বিবৃতি দিচ্ছেন. তাদের অন্য কোনও উদ্দেশ্য আছে।’
ডয়চে ভেলে



