
ট্রাম্পকে নিয়ে প্রশ্ন, ২০ সেকেন্ড নিশ্চুপ ট্রুডো (ভিডিও)
ট্রাম্পকে নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে ২১ সেকেন্ড নিশ্চুপ হয়ে থাকলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। যেন কি বলবেন বুঝতে পারছিলেন না।
মঙ্গলবার নিয়মিত ব্রিফিংকালে ট্রুডোর কাছে এক সাংবাদিক জানতে চান, যুক্তরাষ্ট্রের চলমান বিক্ষোভ দমনে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সত্যি সত্যিই সেনাবাহিনীর নামাবেন কিনা? আমরা দেখেছি বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ারগ্যাস বর্ষণ করা হয়েছে, এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য জানতে চাই। আর যদি আপনি মন্তব্য করতে না চান, সেক্ষেত্রে আপনি কি বার্তা দিচ্ছেন বলে মনে করেন?
এ প্রশ্নে দীর্ঘ ২১ সেকেন্ডের এক লম্বা দম নিয়ে ট্রুডো জানালেন, কানাডাবাসী খুব আতংক আর হতাশা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিষয়টি দেখছে।
গত ২৫ মে যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়েপোলিসে পুলিশের নির্যাতনে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় দেশটিজুড়ে তুমুল বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভ সহিংসতায় রুপ নেওয়ায় অন্তত ২৫টি শহরে কারফিউ জারি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
তাতেও বিক্ষোভকারীরা খ্যান্ত না হওয়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, সেনা নামিয়ে বিক্ষোভ নির্মূলের। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিক্ষোভ বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভ হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে কানাডাসহ আশপাশের কয়েকটি দেশে।
বিক্ষোভ দমনে ট্রাম্পের সেনা নামানোর হুমকির প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র্রে কি ঘটছে, আমরা সবাই একটা আতংক ও ত্রাস নিয়েই তা দেখছি।
গত সোমবার হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভরতদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। এভাবে বিক্ষোভকারীদের হটিয়ে পথ বের করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামনের গির্জায় যান। সেখানে বাইবেল হাতে নিয়ে ছবি তুলে আবার বেরিয়ে আসেন।
শুধু বাইবেল হাতে ছবি তোলার জন্য যেতে পথ বানাতে বিক্ষোভরতদের ওপর টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনাটিও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সেখানে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আহত হয়েছেন দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরাও।
বিক্ষোভরতদের ওপর টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট চালানোর মতো নির্যাতনের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে ট্রুডো বলেন, এখন জনগণকে একসঙ্গে থাকার সময়। এখন জনগণের কথা শোনার সময়। উন্নতি সত্ত্বেও বছরের পর বছর, দশকের পর দশক ধরে অন্যায় ঘটে চলেছে, সে বিষয়ে শিক্ষা নেওয়ার সময়।
তিনি বলেন, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে কানাডাবাসীকেও সোচ্চার থাকতে হবে। আর কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার কানাডাবাসীর পাশেই দাঁড়ানো উচিত। ⛘



