
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় দিনদিন বেড়েই চলছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। আর এ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির মাঝেই স্বাস্থ্যবিধি না মেনে রূপগঞ্জ উপজেলায় ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনব্যাপী উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর ব্রাহ্মণখালী ও দাউদপুর ইউনিয়নের শিমুলিয়া, কুলিয়াদি এলাকায় এ ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন করে স্থানীয়রা।
ঘুড়ি উৎসব চলাকালীন সময়ে কাউকে সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায় নি। এছাড়া কাউকেই মুখে মাষ্ক ও হাতে গ্লাভস পড়তে দেখা যায় নি। এছাড়া ঘুড়ি উৎসব দেখতে আশপাশের কয়েক গ্রাম থেকে অনেক লোকজন এসে ভিড় জমিয়েছে। তাদেরকে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখেই অসচেতনভাবে ঘুড়ি উৎসব উপভোগ করতে দেখা গেছে। এতে করে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
করোনাকালীন সময়ে ঘুড়ি উৎসবটি পরিচালনা করেন, স্থানীয় যুবলীগ নেতা আব্দুর রউফ মালুম। এ সময় প্রধান অতিথি ছিলেন আব্দুল হামিদ ভূঁইয়া। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, স্বেচ্ছাসেবী ছাত্রলীগ নেতা ফারহান আল মামুন, ছাত্রদল নেতা হাবিজুল ইসলাম, মশিউর রুমি প্রমুখ।
স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাঈদ আল মামুন বলেন, সরকার সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে বলছে। রূপগঞ্জ উপজেলা করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে ৬৪০ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এ উপজেলা করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলছে। আর এ করোনাকালীন সময়ে ঘুড়ি উৎসব করা ঠিক হয় নি। এ ঘুড়ি উৎসবের কারণে অনেক লোক একসঙ্গে জমায়েত হয়েছে। এতে করে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। করোনাকালীন সময়ে জমায়েত করে ঘুড়ি উৎসব ঠিক হয় নি। পরে বিষয়টি জেনে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া সুযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ⛘



