
যোগীর মন্ত্রিসভায় মুসলিম সদস্য
উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন যোগী আদিত্যনাথ। শুক্রবার (২৫ মার্চ) রাজ্যের রাজধানী লখনৌয়ে অটল বিহারী একানা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শপথ নেন তিনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি শপথ নেন অন্যান্য মন্ত্রীও। আদিত্যনাথের সরকারে একজন মুসলিম মন্ত্রীও রয়েছে।
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর। এছাড়া বিতর্কিত সিনেমা ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবির কলাকুশলীরাও উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে।
এদিন যোগী আদিত্যনাথসহ মোট ৫২ জন মন্ত্রী শপথ নেন। মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ১৬ জন। এছাড়া ১৪ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও ২০ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। ভোটে হেরে গেলেও যোগীর ডেপুটি হিসেবে দ্বিতীয়বার শপথ নিয়েছেন কেশব মৌর্য।
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, কেশবের সঙ্গে যোগীর অপর ডেপুটি হয়েছেন ব্রজেশ পাঠক। এর আগে কেশবের সঙ্গে যোগীর দ্বিতীয় ডেপুটি ছিলেন দীনেশ শর্মা। তবে এবার তিনি পদ খুঁইয়েছেন।
প্রতিবেদন মতে, এবার যোগীর মন্ত্রিসভায় প্রথমবার মন্ত্রী হয়েছেন ৩১ জন। বাদ পড়েছেন পুরনো ২২ জন মন্ত্রী। পুরনো মন্ত্রীদের মধ্যে ২১ জন নিজেদের পদ ধরে রেখেছেন।
মন্ত্রিসভায় জাঠ সম্প্রদায় থেকে মন্ত্রী করা হয়েছে ৮ জনকে। এর মধ্যে ৪ মন্ত্রী ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের ও অপর ৪ মন্ত্রী তফশিলি জাতির। মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন ৫ নারী। মুসলিম নেতা দানিশ আজাদকে করা হয়েছে সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী। এর আগে সংখ্যালঘু মন্ত্রী ছিলেন মহসিন রাজা।
সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে বড় জয় পায় বিজেপি। ওই নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী যোগীই ছিলেন বিজেপির প্রধান মুখ। যোগীর আমলে দেশের বৃহত্তম রাজ্যের (জনসংখ্যার নিরিখে) আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি দাবি করে সেই বিষয়টিকেই নির্বাচনী হাতিয়ার করেছিল গেরুয়া শিবির।



