
কলকাতায় ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস স্বীকৃতির দাবি
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী হয়েছিল গোটা বিশ্ব। সে সময় ঢাকার কয়েকটি এলাকায় চালানো হয় নির্মম হত্যাযজ্ঞ। সেই কালরাতে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের দাবিতে আলোচনাসভা করেছে কলকাতা বাংলাদেশ উপহাইকমিশন।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বিদেশের মাটিতে প্রথম বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উড়েছিল কলকাতায়। সে সময় যে ভবনে পতাকাটি উড়েছিল সেটি পাকিস্তানের দূতাবাস ছিল। ঐতিহাসিক এই ভবনেই এবার দাবি উঠল ২৫ মার্চে গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়ার।
ইতোমধ্যেই বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এবং একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এবার একই দাবিতে সরব উপদূতাবাসের কূটনীতিকরা।
কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান বলেন, আমরা ইতিহাসটিকে ধরে রাখার চেষ্টা করছি। যাতে নতুন প্রজন্ম সঠিক তথ্য জানতে পারে ১৯৭১ সালে আসলে কি ঘটেছিল। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি জাতিসংঘের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কথা বলে ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যায়।
উপদূতাবাস ভবনের বাংলাদেশ গ্যালারিতে এক অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসান। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলকাতা দূরদর্শনের সাবেক পরিচালক অভিজিত দাসগুপ্ত, কলকাতা প্রেসক্লাবের সভাপতি স্নেহাশীষ সুর। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপহাইকমিশনের প্রথম সচিব সানজিদা জেসমিন।



