
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ‘মুজিব আমার পিতা’ প্রদর্শিত
নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে প্রদর্শিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র ”মুজিব আমার পিতা”।
স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় এই প্রদর্শনীতে নিউইয়র্কে বেড়ে ওঠা অসংখ্য শিশু কিশোর যোগ দেয়। প্রবাসে বেড়ে ওঠা আগামী প্রজন্মের উপস্থিতিতে সেখানে তৈরি হয় অন্যরকম এক আবহ। তারা জানতে পারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও আদর্শ সম্পর্কে।
প্রদর্শনীর শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম। কনসাল জেনারেল তার বক্তব্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ‘তিনি ছিলেন অন্যায়, অবিচার ও শোষণের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর।” বঙ্গবন্ধুর পররাষ্টনীতির মূল ভিত্তি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয়” উল্লেখ করে বিশ্ব শান্তি ও অগ্রগতিতে অবিসংবাদিত এই নেতার অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরেন তিনি। নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে ড. মনিরুল ইসলাম বলেন, “তোমাদেরকে আরও গভীরভাবে বাংলাদেশের ইতিহাস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে হবে।” তিনি নতুন প্রজন্মকে কেবল বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র নয়, বরং বিশ্বের ভবিষ্যৎ হিসাবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধুর জীবন, সংগ্রাম ও আদর্শ তরুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার এক অবিরাম উৎস হয়ে থাকবে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী ও কন্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায়, শহীদ হাসান, শহিদ বুদ্ধিজীবীর সন্তান ও লেখক ফাহিম রেজা নূর, অভিনয় শিল্পী লুৎফুন নাহার লতা ও শিক্ষাবিদ নাঈমা খান শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।



