
যুক্তরাষ্ট্র
গ্রিন কার্ড জালিয়াতির তদন্তে কানসাসে ICE অভিযান
বাড়ি থেকে জাল গ্রিন কার্ড ও সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড উদ্ধারের দাবি; দুই অভিবাসীর দোষ স্বীকার
শাহ্ জে. চৌধুরী:
— গ্রিন কার্ডসহ অভিবাসন-সংক্রান্ত নথি জালিয়াতির অভিযোগে কানসাসের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষ। অভিযানে জাল গ্রিন কার্ড ও সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড উদ্ধারের দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই অভিবাসী পরে ফেডারেল অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছেন।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ইনভেস্টিগেশনস (HSI)-এর কর্মকর্তারা কানসাস সিটির সাউথ ১৬তম স্ট্রিটের একটি বাসভবনে তল্লাশি চালান। কর্তৃপক্ষের দাবি, সেখান থেকে বেশ কয়েকটি জাল স্থায়ী বাসিন্দা কার্ড—সাধারণভাবে যেগুলো গ্রিন কার্ড নামে পরিচিত—এবং ভুয়া সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড উদ্ধার করা হয়।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন ৩৮ বছর বয়সী গুয়াতেমালার নাগরিক Santos Ramirez-Ramirez এবং ৩২ বছর বয়সী মেক্সিকোর নাগরিক Yolanda Mendoza-Emiliano। ফেডারেল প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, তারা জাল অভিবাসন নথি নিজেদের কাছে রাখার পাশাপাশি সেগুলো ব্যবহার করেছেন। পরবর্তীতে দুজনই সংশ্লিষ্ট ফেডারেল অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে কানসাসের এই অভিযান নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিবাসন নথি জালিয়াতি, প্রতারণার মাধ্যমে বৈধ অভিবাসন মর্যাদা অর্জনের চেষ্টা এবং অন্যান্য অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ এখন ফেডারেল কর্তৃপক্ষের বাড়তি নজরদারির আওতায় রয়েছে।
তবে এই মামলার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু জাল অভিবাসন নথি তৈরি, possession ও ব্যবহারের অভিযোগ। এটি সাধারণভাবে বৈধ গ্রিন কার্ডধারীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত কোনো অভিযান নয়।
অভিবাসন অধিকারকর্মীরা অবশ্য জোর দিয়ে বলছেন, অভিবাসন আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি প্রত্যেক ব্যক্তির আইনি অধিকার ও যথাযথ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করাও জরুরি।
কানসাসের ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নথির জালিয়াতির বিরুদ্ধে ফেডারেল সরকারের কঠোর অবস্থানের একটি নতুন উদাহরণ হিসেবে সামনে এসেছে। একই সঙ্গে দেশজুড়ে বাড়তে থাকা অভিবাসন অভিযান নিয়ে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও সতর্কতাও বাড়ছে।



