প্রধান খবরবাংলাদেশ

বাংলাদেশের সবখানে একযোগে আজান, কার সিদ্ধান্তে?

বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় রাত ১০টায় আজানের ধ্বনিতে কম্পিত হলো আরেকবার।
 
অনেকের ধারণা এশার নামাজের আজান মসজিদে দেওয়া হলেও রাতের এ আজান দেওয়া হয়েছে করোনাভাইরাসের মহামারি থেকে ‘মুক্তি’র আশায়।
 
তবে এ বিষয়ে দেশের বিশিষ্ট আলেম ও ওলামাদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায় নি। এছাড়া কোনও ইসলামী দলও কিছু জানাতে পারে নি।
 
তবে এ আজান মসজিদে সীমাবদ্ধ ছিল না। ঘরের আঙ্গিনায় অনেক পরিবারের কর্তাব্যক্তিরাও আজান দিয়েছেন।
 
নগর ও গ্রামের অনেক জায়গাতেই আজান দেওয়া হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
 
এ ব্যাপারে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মুখপাত্র মোছাহেব উদ্দিন বকতিয়ার বলেন, আযান দেওয়া ভালো। বালা মুসিবত থেকে রক্ষার জন্য ইসলামে আজান দেওয়ার বিধান রয়েছে।
 
বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এই নেতা বলেন, আজকে রাতে সব জায়গায় আজান হয়েছে আমিও শুনেছি। সেটি বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিদ্ধান্ত ছিল না। এটি ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।
 
জানা গেছে, পুরো আয়োজনটিই ফেসবুকনির্ভর। অজ্ঞাত উৎস থেকে ফেসবুকের মাধ্যমে এটি ছড়িয়েছে দেশজুড়ে।
 
তবে অন্য একটি সূত্র জানায়, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের কয়েকজন নেতা রাত ১০টায় একযোগে আজানের প্রস্তাব করলে ফেসবুকের মাধ্যমে এটি অনেকের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
 
সেখান থেকে এই আজান। তবে এতে কোনও ইসলামী দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল না।
 
তবে ইসলামী ছাত্রসেনার দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অতিরিক্ত ঝড়, বৃষ্টি কিংবা মহামারি থেকে বাঁচতে আজান দেওয়া মুস্তাহাব।
 
তাই করোনার মতো মহামারী হতে আল্লাহর রহমত প্রত্যাশায় ২৬ মার্চ রাতে একযোগে সম্মিলিতভাবে ও এককভাবে রাত ১০টায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার পক্ষ থেকে আজান দেওয়ার কর্মসূচি দেওয়া হয় ।
 
এতে বলা হয়, এই কর্মসূচির সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার কয়েকশ’ মসজিদসহ ব্যক্তি পর্যায়ে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মানুষ সংহতি প্রকাশ করে আজান পরিবেশন করেন। ♦
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close
Close

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension