যুক্তরাষ্ট্র

অভিবাসী নিয়ন্ত্রণে ইউরোপ সীমান্তে তল্লাশি জোরদার

বৈধ ও অবৈধ অভিবাসী আগমন বৃদ্ধির কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি সদস্যরাষ্ট্র অস্থায়ীভাবে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আবার চালু করেছে। এতে ইউরোপের মধ্যে অবাধ চলাচল ব্যাহত হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি হিসেবে শেনজেন ব্লকের সর্বশেষ কৌশল হিসেবে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স।

অক্টোবর থেকে আগামী ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চেক প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে সীমান্তে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চালু রেখেছে অস্ট্রিয়া। নভেম্বরে তারা স্লোভেনিয়া ও হাঙ্গেরির সঙ্গে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত তল্লাশির মেয়াদ বাড়িয়েছে। শরণার্থী (অ্যাসাইলাম) ব্যবস্থার ওপর চাপ, অস্ত্র পাচার, ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে যোগাযোগ ও মানব পাচার রোধে এ ব্যবস্থা নিয়েছে দেশটি।

গত আগস্টে কোপেনহেগেন বিমানবন্দরে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করে ডেনমার্ক। অনিয়মিত অভিবাসন ও নিরাপত্তা হুমকি বেড়ে যাওয়ায় ড্যানিশ-জার্মান স্থল সীমান্তগুলোয় তল্লাশি বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে অভিবাসন বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় জার্মানি সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র ও সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে তার স্থল সীমান্তে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা প্রয়োগের ঘোষণা করেছে।

অন্যদিকে বলকান রুটে অভিবাসীদের মধ্যে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ইতালি আগামী ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্লোভেনিয়ার সঙ্গে তার উত্তর-পূর্ব সীমান্তে পুলিশি তল্লাশি আবার চালু করেছে।

নরওয়ে অবকাঠামোর হুমকির কথা উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ৫ মে পর্যন্ত শেনজেন অঞ্চলে ফেরি সংযোগসহ বন্দরগুলোয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অংশ হিসেবে তল্লাশি করা হচ্ছে।

স্লোভাকিয়ার সঙ্গে সীমান্তে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাড়িয়েছে পোল্যান্ড।

সুইডেন ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত সীমান্ত তল্লাশি জোরদার করেছে।

ফ্রান্স সন্ত্রাসবাদের হুমকির কথা উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত শেনজেন সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আবার চালু করেছে।

হাঙ্গেরির সঙ্গে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ সীমাবদ্ধ করতে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাড়িয়েছে স্লোভাকিয়া।

স্লোভেনিয়া ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে এবং ২২ ডিসেম্বর থেকে ছয় মাসের জন্য আবার তা চালু করার পরিকল্পনা করছে।

৭০০ জনেরও বেশি অভিবাসী প্রবেশের পর ফিনল্যান্ড ২৪ নভেম্বর রাশিয়ার বেশির ভাগ ক্রসিং সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। অভিবাসীদের অনুপ্রবেশের জন্য মস্কোকে দোষারোপ করে। অবশ্য ক্রেমলিন এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please, Deactivate The Adblock Extension