
আন্দোলনে আটক শিক্ষার্থীদের মুক্তির নির্দেশ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের
ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রশ্নফাঁসবিরোধী আন্দোলনে গ্রেফতার বা আটক ১৮ বছরের কম বয়সী এবং যাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড নেই—এমন শিক্ষার্থীদের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। গতকাল দেয়া অন্তর্বর্তী আদেশে আদালত এ নির্দেশ দেন।
একই সঙ্গে দিল্লির যন্তর মন্তর এবং বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে কোনো ধরনের জোরপূর্বক ব্যবস্থা না নেয়ার নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এ সুরক্ষা অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
গত ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ অভিযানে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছোড়া, এমনকি পেলেট গান ব্যবহারেরও অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একাধিক মামলা করা হয়েছে। সেসব মামলার গতকাল একসঙ্গে শুনানি হয় শীর্ষ আদালতে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই নিরপেক্ষ এবং আলাদা তদন্তের কথা বলেছেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, যদি কেউ মাত্রা ছাড়ায়, আইন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। ছাত্রছাত্রীরা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে, সাংবিধানিক অধিকারের মধ্যে থেকেই প্রতিবাদ করেছেন।
বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠনের নির্দেশও দিতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। আদালত জানিয়েছেন, ওই তদন্তে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া ড্রোন, বডি ক্যামেরা, সিসিটিভি ফুটেজসহ সব ধরনের ভিডিও সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
এদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশি হয়রানি ও মামলা প্রত্যাহারের বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হলে আবারো রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। খবর ইন্ডিয়া টুডে



