
‘ইন্দিরা গান্ধীও যড়ষন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন বঙ্গবন্ধুকে’
ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আগেভাগেই সর্তক করেন বঙ্গবন্ধুকে। পেছনের ষড়যন্ত্র কিছুটা আঁচও করেন তিনি। কিন্তু ভাবনায় কখনই ছিলো না-যে তার হৃদয়ে থাকা বাঙালিদের কাছ থেকেই আসবে তার জীবনের শেষ আঘাত।
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব- তোফায়েল আহমেদ জানান সেসময়কার কথা। তুলে ধরেন প্রেক্ষাপট। স্বাধীনতা সংগ্রামের চুড়ান্ত মুহুর্তে বঙ্গবন্ধু ডাক দেন মুক্তিযুদ্ধের। ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময়ই পাকিস্তানী ভাবধারার কিছু সেনা কর্মকর্তা আর গুটিকয়েক রাজনৈতিক নেতা জনযুদ্ধের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেন।
সব ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে বঙ্গবন্ধুর ডাকে এদেশের মানুষ দেশ স্বাধীন করে। নতুন দেশে নতুন সরকার প্রধান বঙ্গবন্ধু। শুরু থেকে একেবারে বঙ্গবন্ধুর কাছাকাছি ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। ছিলেন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব।
বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর বলেছেন, তাদের প্রস্তুতিটা শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই। তৎকালীন বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদ বলেন,’বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালিদেরকে ভালোবাসতেন। বঙ্গবন্ধু কখনও বিশ্বাস করতে পারতেন না যে, বাঙালি কেউ তাকে হত্যা করতে পারে।বঙ্গবন্ধু দেশি এবং বিদেশি চক্রান্তের শিকার হয়েছেন।’
যড়ষন্ত্রকারীরা তাদের পরিকল্পনা নিখুঁতভাবে সাজিয়েছিল। তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, দেশি এবং বিদেশি ইন্দিরা গান্ধী থেকে শুরু করে অনেকেই তাঁকে সতর্ক করেছেন।বঙ্গবন্ধু সকলকে বিশ্বাস করেছেন। তিনি সমস্ত বাঙালি জাতিকে বিশ্বাস করেছেন।’
তোফায়েল আহমেদ মনে করেন, বঙ্গবন্ধু যদি একটু সতর্ক হতেন তাহলে হয়ত এমন ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতো।❐



