
খালেদার চিকিৎসা নিয়ে বোর্ডের সিদ্ধান্ত আজ
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক: কারাবন্দি অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গতকাল শনিবার বিকালে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে যায় তার চিকিৎসায় গঠিত পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা কারাগারে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলেও তাকে চিকিৎসা দেয়নি। চিকিৎসার বিষয়ে আজ রবিবার সিদ্ধান্ত নেবে মেডিক্যাল বোর্ড।
মেডিক্যাল বোর্ড সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল জলিল বলেন, কারাগারে আমরা খালেদা জিয়ার অসুস্থতা সম্পর্কে জানতে চেয়েছি। তিনি কারাগারে অনেক দিন ধরে থাকায় অনেক ইমোশনাল কথা বলেছেন। এর সঙ্গে সঙ্গে তার কোমর ব্যথা, হাঁটু ব্যথাসহ নানা শারীরিক সমস্যার কথা আমাদের জানিয়েছেন। আমরা তার শারীরিক সমস্যা সম্পর্কে অবগত হয়েছি। তাকে দেখে এলেও সবাই বসতে পারিনি। খালেদা জিয়ার রোগ শনাক্তে কী কী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে এবং কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে রবিবার বসবে মেডিক্যাল বোর্ড। মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্যরা আলোচনার ভিত্তিতে তার চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
জানা গেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের দন্ডপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন। কারাগারে তিনি অসুস্থ থাকায় তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের জন্য কারা কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) আবেদন করে। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিএসএমএমইউ পাঁচ চিকিৎসকের সমন্বয়ে একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করে।
বোর্ডের সদস্যরা হলেন-বিএসএমএমইউর ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. আবদুুল জলিল, কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হারিসুল হক, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু জাফর চৌধুরী, চক্ষুবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. তারিক রেজা আলী এবং ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. বদরুন্নেসা আহমেদ।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের এক কর্মকর্তা বলেন, খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করতে গতকাল বিকাল সোয়া ৪টায় মেডিক্যাল বোর্ডের পাঁচ চিকিৎসক কারাগারে প্রবেশ করেন। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা জানেন এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। এর পর তারা বিকাল সোয়া ৫টায় কারাগার থেকে বের হন।



