
প্রধান খবরবিনোদনভারতযুক্তরাষ্ট্র
‘গান্ধীর দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত’ এআর রহমান
সহিংসতার শুরু যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারত সফরে এসেছেন। ধর্মভিত্তিক নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে হামলায় সহিংসতায় এখন পর্যন্ত ২০ ভারতীয় নিহত হয়েছেন।
ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে দেশটির হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।
ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে নমস্তে ট্রাম্প নামক অনুষ্ঠানে অভ্যর্থনা জানাতে অংশ নেন হাজার হাজার ভারতীয়।
অস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী এআর রহমানও ট্রাম্পকে স্বাগত জানিয়েছেন। সেটি একেবারেই ব্যতিক্রমী কায়দায়। জানিয়েছে আনন্দবাজারপত্রিকা।
‘অহিংসা’ শিরোনামে একটি গানের কম্পোজিশন সামাজিকমাধ্যমে পোস্ট করে ক্যাপশানে লিখেছেন– ‘গান্ধীর দেশে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে স্বাগত জানাতে আমার এই গানের ট্র্যাক।’
গানটির ভাষায় উঠে এসেছে ভারত আর পাশ্চাত্যের মেলবন্ধন। ২০১৯ সালের নভেম্বরে তৈরি করা হয়েছিল গানটি। গত বছর এক লাইভ কনসার্টে এই গানটি গেয়েছিলেন রহমান।
সোমবার তিনি গানটি উৎসর্গ করে ট্রাম্পের ভারত সফরে সম্প্রীতির বার্তাকে আরও জোরালো করলেন।
এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, বুধবার সকালে নয়াদিল্লির চান্দবাগ এলাকায় নাগরিকত্ব আইন সমর্থক ও বিরোধীদের পরস্পরের দিকে পাথর নিক্ষেপের মধ্যেই আএএফ, সিআরপিএফ ও দিল্লি পুলিশের বহু সদস্য সেখানে অবস্থান নিয়েছে।
সকালে দাঙ্গাকবলিত অন্যান্য এলাকায়ও পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী অবস্থান নিয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। নগরীর দাঙ্গাকবলিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
কোথাও কোথাও অস্বস্তিকর নীরবতা নেমে এসেছে। বুধবার সকালে এই এলাকাগুলোকে যুদ্ধক্ষেত্রের মতো দেখাচ্ছিল বলে প্রত্যক্ষদশী সাংবাদিকরা জানিয়েছেন।
সকালে এক টুইটে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল পরিস্থিতিকে ভয়ানক বলে বর্ণনা করে দাঙ্গাকবলিত এলাকাগুলোতে আশু সেনাবাহিনী মোতায়েন ও কারফিউ জারি করার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাতভর কেজরিওয়ালের বাসভবনের সামনে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ) ও জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বহুলোক জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখায়। তারা সহিংসতার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানায়।মঙ্গলবার দফায় দফায় সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে রূপ নিয়েছিল দিল্লির মুসলমান অধ্যুষিত উত্তর-পূর্বাঞ্চল। বিবিসি বলছে, দিল্লিতে এমন সহিংসতা গত কয়েক দশকেও দেখা যায় নি।
উত্তেজনা যেন না ছড়ায়, সেজন্য বেসরকারি টেলিভিশনগুলোকে সংঘাতের খবর প্রচারের ক্ষেত্রে সাবধান করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) পাস করার পর থেকে ভারতের মুসলমানরা ক্ষোভে ফুঁসছে। এই আইন বাতিলের দাবিতে নানা কর্মসূচিও চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। ♦



