
মসজিদের নিচে গ্যাসের লাইনে অসংখ্য লিকেজ ছিল। সেখান থেকে বের হওয়া গ্যাসের কারণেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক অপারেশন লে. কর্নেল জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, এসি চলাকালীন নিচ থেকে লিকেজ থাকা লাইন থেকে গ্যাস বের হতে থাকে। গ্যাস বের হতে হতে একটা সময় হঠাৎ কোন একটি বিস্ফোরণের কারণে বাকি এসিগুলোও বিস্ফোরিত হয়। মসজিদের নিচ দিয়ে গ্যাসের যে লাইন গেছে সেটি লিকেজ হয়ে থাকতে পারে। এ কারণে বিভিন্ন স্থান দিয়ে গ্যাস বের হচ্ছে। মসজিদের ভেতরও গ্যাসের গন্ধ আছে। ইতোমধ্যে তিতাস কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে।
এদিকে এ ঘটনার পর পুলিশ, র্যাব, পিবিআই ও সিআইডির ক্রাইম সিন ঘটনাস্থলে কাজ করছে। তারা আলামত সংগ্রহ করছে। মসজিদের ভেতরের ৬টি এসিই বিস্ফোরিত হয়েছে। ভেতর মানুষের কাপড় ও পোড়া চামড়া পড়ে আছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিমতল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদের এয়ার কন্ডিশনার (এসি) বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রায় ৪৫ জন মুসল্লী দগ্ধ হন।
দগ্ধদের ৩৭ জনকে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বেশিরভাগের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।❐



