
চুরি পরানোর হুমকিতেও নামলেন না বিএনপি নেতারা
রূপসী বাংলা ডেস্ক:বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদে ডাকা কর্মসূচিতে অংশ নেননি বিএনপির বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় নেতারা।
শুক্র ও শনিবার বিক্ষোভের ডাক দেয়া মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ থেকে মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যান। কিন্তু এ সময় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা সেখানে ছিলেন না।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে বিএনপির ঘোষিত অন্যান্য কর্মসূচির তুলনায় কর্মী সংখ্যা বেশি ছিল। তবে আগের মতোই নেতাদের অংশগ্রহণের ‘অনীহা’ ছিল।
এমনকি খালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদে মানুষকে রাজপথে নেমে আসতে আহ্বান করা সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীও দিনভর কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বের হননি।
প্রতিটি জেলা এবং উপজেলায় বিক্ষোভের আহ্বান করেছিলেন মির্জা ফখরুল। কিন্তু রাজধানীতে বায়তুল মোকাররম এবং দলীয় কার্যালয়ের সামনে মিছিল ছাড়া অন্য কোথাও কর্মসূচি পালনের তথ্য গণমাধ্যমে আসনি।
বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়াকে প্রায় ১০ বছর আগে করা একটি দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজা দেয় একটি আদালত। গত ২৫ জানুয়ারি রায়ের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই বিএনপি নেতারা তীব্র আন্দোলনের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। রায়ের আগ পর্যন্ত দলের স্লোগান ছিল ‘আমার নেত্রী আমার মা, জেলে যেতে দেব না।’
রায়ের তারিখ ঘোষণা হওয়ার চারদিন পর গত ২৯ জানুয়ারি মির্জা ফখরুলের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর বিএনপির এক আলোচনায় কেন্দ্রীয় নেতারা মাঠে না নামলে বাসায় গিয়ে চুরি পরিয়ে দেয়ার হুমকি আসে।
বিএনপির সহযোগী সংগঠনের একজন নেতা সেদিন কেন্দ্রীয় নেতাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আপনাদের প্রতি সম্মান রেখে বলতে চাই, কেন্দ্রীয় নেতারা যারা সেই দিন রাস্তায় নামবেন না পরে তাদের বাসায় গিয়ে আমরা চুড়ি পরিয়ে দেবো। আমরা দলের সিনিয়র নেতাদের রাস্তায় দেখতে চাই।’



