
নাইজারের সেনাপ্রধানকে যা বললেন ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড
নাইজারে নতুন সেনাপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুসা সালাউ বারমোউয়ের সঙ্গে মুখোমুখি আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড। ওই আলোচনাকে খুব বেশি খোলামেলা এবং খুবই জটিল বলে বর্ণনা করেছেন নুল্যান্ড। আফ্রিকার ১৫টি দেশের সংগঠন ইকোয়াস সামরিক অভ্যুত্থানের জবাবে সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা এখনও আশা করে এ সমস্যার সমাধান কূটনৈতিকভাবে হতে পারে। নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহামেদ বাজোমকে পুনর্বহাল করতে হবে। তবে তার আগে পর্যন্ত চাপ বৃদ্ধি করতে নাইজারকে দেয়া সাহায্য স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
নাইজারের সংকট নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার বসার কথা পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর। এর আগে ইকোয়াস রোববার স্থানীয় সময় রাত ১১টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল সামরিক জান্তাকে। বলেছিল, এ সময়ের মধ্যে তাকে পদত্যাগ করতে হবে এবং নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে পুনর্বহাল করতে হবে। এসব দাবি না মানলে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেয়া হয়। কিন্তু ইকোয়াসের এমন হুমকির জবাবে নাইজারের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে সামরিক জান্তা।
এ অবস্থায় রাজধানী নিয়ামিতে সামরিক জান্তার সঙ্গে বৈঠক করেন মিস নুল্যান্ড।
পরে সাংবাদিকদের জানান, কমপক্ষে দু’ঘন্টা বৈঠক হয়েছে। সাংবিধানিক শৃংখলা ফিরিয়ে আনার ইচ্ছা থাকলে যুক্তরাষ্ট্র তাতে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। এ জন্য তিনি সেনাবাহিনীতে নিযুক্ত নতুন প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুসা সালাউ বারমোউয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তবে সামরিক জান্তা জেনারেল আবদু রাহমানে তচিয়ানি বা প্রেসিডেন্ট মোহামেদ বাজোমের সঙ্গে তার কোনো সাক্ষাৎ হয়নি। প্রেসিডেন্ট বাজোম এখনও বন্দি আছেন সেনাবাহিনীর হাতে। এর আগে তিনি মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন।
মিস নুল্যান্ড বলেন, দেশের নিয়ন্ত্রণ রক্ষায় রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনারকে আহ্বান করেছেন সামরিক অভ্যুত্থানের নেতারা। এ বিষয়ে উদ্বেগ তুলে ধরেছেন তিনি। নুল্যান্ড বলেন, যেসব মানুষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাদের ভালভাবে বোঝা উচিত এতে তাদের সার্বভৌমত্ব ঝুঁকিতে পড়বে।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ডের সাবেক প্রধান জেনারেল তচিয়ানি ২৬শে জুলাই সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা কেড়ে নেন।



