
প্রধান খবরবাংলাদেশ
‘নির্বাচনের বিষয়ে কিছু বলার নেই’- খালেদা জিয়া
রূপসী বাংলা ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট: অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কিছু বলার নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৯ নং বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে হুইল চেয়ারে করে হাজির করা হয় খালেদা জিয়াকে। নাইকো দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হয়। এই কারাগারেই দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বন্দি রয়েছেন তিনি।
হাজিরা শেষে আদালত কক্ষ থেকে বেরিয়ে কারাকক্ষে যাওয়ার সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা খালেদা জিয়ার কাছে জানতে চান- অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া নির্বাচনের বিষয়ে তার মন্তব্য কী? তিনি জবাবে বলেন, ‘নির্বাচনের বিষয়ে কিছু বলার নেই।’ এ বিষয়ে আর কোনও কথা বলতে রাজি হন নি তিনি।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেই গত ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আইনি জটিলতায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন নি তিনি। নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীদের ভরাডুবি হয়েছে। নির্বাচনের পর আজই প্রথম আদালতে হাজির করা হয় খালেদা জিয়াকে।
কারাগারের যে কক্ষে তার মামলা চলছে সেই কক্ষের বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। আদালতে তিনি বলেন, এত ছোট জায়গায় মামলা চলতে পারে না। এখানে আমাদের কোনও আইনজীবী বসতে পারেন না। এখানে মামলা চললে আমি আর আদালতে আসব না। তিনি বলেন, এখানে আইনজীবীদর গেট থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আপনারা সাজা দিলে দিয়ে দিন, তা-ও আমি এ আদালতে আসব না।
দুদকের করা দুই মামলায় খালেদা জিয়া ১০ ও ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন। আপিলে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ৫ বছরের কারাদণ্ড বেড়ে ১০ বছর এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ আদালতে ৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন তিনি।
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণার পর পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা হয়। সেখান থেকেই গত ৬ অক্টোবর চিকিৎসকদের পরামর্শে খালেদা জিয়াকে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে নেওয়া হয়। টানা এক মাস ২ দিন বিএসএমএমইউয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পর ৮ নভেম্বর তাকে কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।



